মেঘ তখনো কাটেনি ভোরের আকাশে। আস্ত সকাল তবু আধো আধো আঁধার ছাওয়া পথ ঘাট,দোকান পাট।আমি কেশর হাটে একটি ওরুটির দোকানে যাচ্ছি পাতলা ডাল দিয়ে রুটি খেতে।বাজার তখনও অতটা জমে ওঠেনি। ভ্যান,করিমন,লছিমন,অটো, সি,এন,জি বাস ট্রাক গাড়িগুলো চালু অবস্হায় এক জায়গায় আসলে সবাই মিলেমিশে এক বিশেষ ধরনের শব্দের মৌচা তৈরী করে।ঘুম ঘুম কেউ সেখানে আসলে এমনিতেই ছুটে যায় তার ঘুমের ভাব সেই ভোঁ ভোঁ আর খটা খট খট , খটা খট খট শব্দে।দেখলাম,রাস্তা তৈরীতে রুলার আর কঁকড়া এখানে সরব।আরো দেখলাম,আমার ভাঙ্গাচোরা,বিষয় বাসনায় পোড়া ক্ষত বিক্ষত হৃদয়ের মত পুরানো পিচঢালা রাস্তাটা ভেঙ্গে আরো নতুন ও শক্ত একটি রাস্তা মেরামতে ব্যস্ত কর্মমূখর শ্রমিকদের লৌহ কঠিন হাতের ক্ষিপ্রতা ও উজ্জ্বল মুখ আর সদা সজাগ দৃষ্টি। ভিজা ভিজা তখনও ছিলো বাতাস।তাপের আঁচ বাইরের চেয়ে জামা কাপড়ের নিচে ছিলো বেশী।তবু টেবিল ভরা ক্ষুধার্থ মানুষগুলো খাচ্ছিলো কেউ রুটি,কেউ খিচুড়ি। আমি একটি ফাঁকা চেয়ার দেখে বসলাম।বললাম,রুটি আর পাতলা ডাল দিতে দোকানের ওয়েটারকে।সে এক গ্লাস জল আর ডাল ভরা একটি বাটি আমার সামনে আনলো। ডাল তো নয় যেন রং করা জল।আমি বললাম, গরম রুটি দাও।ঠিক এমনি সময় আমার সামনের চেয়ারে ভার বয়সী এক পাতলা লোক এসে বসলো।দেখলাম,সে গ্লাসের সাদা জল একটু একটু করে খাচ্ছে আর আমার দিকে সহজ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।এমন সময় সদ্য ভাজা খোলা থেকে তোলা গরম রুটি আমার প্লেটে দিবে বলে যেই ওয়েটার কাছে আসলো,লোকটি কাঁপা কাঁপা জলে ধোয়া হাতটি বাড়ালো। Lord! আমার চোখে জল আসলো।দুদিনের ক্ষুধার জ্বালা কি সহজে আমি ভুলে গেলাম।মনে হলো আমার চেয়েও সে আরো বেশী ক্ষুধার্থ।আমার চোখ আমি গোপনে মুছে আর্দগলা শক্ত করে ওয়েটারকে বললাম,রুটিটি ঐ ভায়ের খালি প্লেটে দাও।লোকটি আসলে বোবা।গায়ে হাফ ময়লা শার্ট। গাল দুটি বসা।ঐ গাল আগে হয়তো একদিন ভরাট ছিলো।কিন্তু আজ ত�
No comments:
Post a Comment