আজ ১৯ ডিসেম্বর, কুসুম্বার রবিবার। হাটরা গেদির মোড় থেকে সুদূর কুসুম্বা মসজিদ পর্যন্ত পদব্রজে আমার সকালের এই ভ্রমণ। ইচ্ছা আছে হীমালয় পর্বত পর্যন্ত হেঁটে হেঁটে আমার দয়াময় প্রেমময়কে ডাকবো আর প্রাণ জুড়াবো।।পথের কথা আজ পথেই বলি। শীতের পোষাক পরেছে উত্তরী বাতাস। যতই উত্তরে হেঁটে আসছি পা ততই ভারী হচ্ছে ঠান্ডা হাওয়ায়। সাবাই হাটে দুটো ডিমের গরম অমলেট
খেয়ে অন্তরের ভীতরের শীত তাড়ানোর বৃথা চেষ্টা করলাম। সাবাই হাট থেকে সামনে ব্রীজ পর্যন্ত করচা ফলের মত কি এক ফলের গাছ দেখলাম। মন জুড়িয়ে গেল। ফলের ভারে শাখাগুলো নুয়ে আছে ভরা যৌবনা নারীর মত। হলদে ফুলও ফুটে আছে শাখায় শাখায়। গাছগুলো বেশী বড় না। বড় জোর ছ সাত ফিট হবে। আর রাস্তার দু’ধারে দেখলাম হলুদ শর্সে ফুলের ক্ষেত। ক্ষেত তো নয় যেন মধুরসের বৃন্দাবন। বাতাসও তার সুগন্ধে মাতাল। নাকে লাগতেই পথের শীতল ক্লান্তি মধুর উষ্ণ আনন্দ সুন্দর কান্তিতে ভরে উঠল হৃদয়ের দু’ কুল। আপনারা যাঁরা গাড়ীর দরজার হুক এঁটে ভীতরে ঘুমিয়ে পড়েছেন গাড়ীর মবেলপুড়া দুর্গন্ধে তাঁদের জন্য আমার এই আনন্দ নিমন্ত্রণ। প্লিজ, জানালা খুলে প্রকৃতির হাওয়াটা পান করেই একবার দেখুন। আর দেখুন, কত প্রাণের মধুর ঘ্রাণ এখানে মিশে আছে। দেখুন, প্রেমের দেশে এই কঠিন শীতেও নব বসন্তের দক্ষিনা হাওয়ার উদয় হবে। হাওয়া ভবনের চেয়ে অনেক মধুর স্নিগ্ধ এই হলুদ ফুলের সুগন্ধি হাওয়া। দেখলাম,সাবাইহাট থেকে জয় বাংলা পর্যন্ত বড় রাস্তার দুই ধারে শর্সে ক্ষেত আর ক্ষেত।। কত ভ্রমর যে ছোটে এসেছে তার হিসেব কে জানে! আর মধুমক্ষিকার কথা কি আর বলি। হেঁটে হেঁটে চোখে না দেখলে এই রুপের আসল স্বাদ পাওয়া যায় না। গাড়ীতে চড়া খাঁচার পাখিরা কেবল সিনেমার মত ছায়াছবি দেখে মনকে প্রবোধ দেন,মধুরসের সত্যিকার সে স্বাদ পান কি না, জানি না।। জয় বাংলার পর থেকে দেখলাম,বাঁধাকপি ও ফুল কপির ক্ষে
Thursday, February 17, 2022
কুসুম্বা দীঘির জল
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
A golden village dream
Once I went to meet a man .It is a pretty village. but it is so tiny little. Trees are full with the green leaves. The roads are a bit sandy...
No comments:
Post a Comment