সত্য তো মিথ্যা নয়। চাঁদ তো সূর্য নয়। তাহলে খোদার আসন আরশ ছেদিয়া কি করে মানুষ উঠতে পারে,দয়াময়? আমি জ্ঞানের কাঙাল। একজন জাতীয় কবির বিদ্রোহ কবিতা ব্যাখ্যা করার মত সেই মহাজ্ঞানও আমার নাই,যোগ্যতাও নাই । হয়তো আমি কবি হলে এ কথা বলাটা মানান সই হতো। কিন্তু আমি কিছুতেই বুঝতে পারি না উৎপীড়িতদের ক্রন্দন রোল তো তাদেরই বিভ্রান্তির ফল।নয় তো তা দয়াময়ের পরীক্ষা। মানুষ তো এটা রোধ করার ধৃষ্ঠতা রাখে না।এটা রোধ করতে কেবল দয়াময় আল্লাহই পারেন। মম ললাটে রুদ্র ভগবান কি করে জ্বলে? রুদ্র মানে ভীষণ রাগী।আর রাগের ভগবানের কাছে কি করে মহাসৌন্দর্যের দেবীর আবির্ভাব হয়?কৃপাময়ী হলে হতেও পারেন কিন্তু আমার বোধে কেন যে তা আসে না,জানি না। হয়তো বাংলা সাহিত্য যাঁরা খুব ভাল জ্যাঁরেল মহোদয় সভাসদগন, তাঁরাই কেবল এই কবিতার স্নিগ্ধ অর্থ আবশ্যই খুঁজে পেয়েছেন।আমার মত স্হল বোধ গোবেচারা মানুষের জন্য ইহার জান্নাতি সুধা পান করতে না পারার বেদনাটুকু কেবল আমারই বিশ্রীহৃদয় দগ্ধ করুক। ইহার চেয়ে আর বড় কি - ই বা চাওয়ার আছে এই ক্ষুদ্র নগন্য আমার।
No comments:
Post a Comment