আলুর গুদাম এখন প্রতারনার এক বড় ফাঁদ।মালিক পক্ষ এক শ্রেনীর খুশীমত দালাল সেট করছেন বড় অংকের টাকা ডাবল লাভ পাওয়ার লগ্নি দিয়ে। টিকিট দিয়েও আলু ফেরৎ পায় না কৃষক। মালিক বলে একাউন্ট তো এজেন্টের নামে।এজেন্ট হোল্ডারের সামনেই সে অসহায় কৃষকে বলে আপনাকে আমরা চিনি না।টাকার অহংকারে তখন এজেন্টও হাসে,মালিকও হাসে।আমরা সাধারণ গরিব কৃষক অত সব টাকা ধরা ফাঁদ কি আর চিনি? পেটের দায়ে আলু রাখি স্টোরে।এটা ঠিক বি, এন,পি-র নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার মত।মুখে বলছে নির্বাচনে যাবো না,অথচ গোপনে ঠিকই প্রার্থী সেট করছে।আবার দুই একটা বিজয়ীদের নিয়ে রাজপথে মহাউল্লাসও করছে।আর বলছে আমরা গনতন্ত্রের আবির ছড়াচ্ছি।কিন্তু হায়! প্রকারন্তে দেখো এত হাড়ভাংগা পরিশ্রমের পর যে যৎসামান্য মাঠে আলু উৎপাদন করছি, স্টোর মালিকরা এজেন্ট/ দালালদের মাধ্যমে ঠান্ডা ঘরে বসে ঠান্ডা নিঠুর হৃদয়ে যখন লোনের টাকার পরিবর্তে দালাল তথা এজেন্টদের হিসাব থেকে কুটকৌশলে সব আলু কেটে নিচ্ছে,তখন আমাদের মত প্রান্তিক চাষীদের সব আলু হারিয়ে পথে বসা ছাড়া আর কি বাকী থাকে, ভাই? ইদানিং প্রতারকেরাই সগৌরবে প্রসংশিত হচ্ছে, দয়াময়। কেউ ভালোর আশায় কোথাও প্রতারকের হাতে ঠকে গেলে এক শ্রেনীর মানুষের মুখে হাসির কেমন খই ফুটে উঠছে বীনা আগুনে আজকাল।ছিঃ ছিঃ! এ যে কত বড় লজ্জা মানবতার, তা মানুষ কেমন করে দিব্বি ভুলে যাচ্ছে। পরকে ঠকানোর জন্যই কি দয়াময় মানুষকে তার এই মহা ইন্দ্রয়শক্তি দান করেছেন? তাও যদি এই মানুষ অমর হতো,সে কথা না হয় সওয়া যেতো। সে তো আদৌ জানে না মৃত্য তাকে কখন খতম করবে তার অদৃশ্য শক্তির ভয়ংকর আঘাতে? এই দুর্গন্ধযুক্ত নোংরা হৃদয় নিয়ে কি করে পরম পবিত্র মহিমায় দয়াময়ের সামনে তারা দাঁড়াবে? ভাবতেই যেন হৃদয় আঁতকে উঠে এক মহাভূমিকম্পে, প্রেমময়। যার পায়ে নিঃষ্পাপ ফেরেস্তারা চুমু খায়, সেই আদমসন্তানেরা এত নীচে নামে কী করে,ক�
No comments:
Post a Comment