আমরা ক্ষুধাকে খুশি করি।অথচ দেহকেই রাখি অনারারে ।আমার প্রিয় পাঠকপাঠিকাদ্বয়ের এই কথায় নাসিকা কুঞ্চিত হতেও পারে।আমরা খাই। অথচ দেহ কি করে অভূক্ত থাকে? এমন প্রশ্নতীর আপনাদের অতি কোমল হৃদয়ে বিদ্ধ হলে আমারও চোখে জল আসে।কিন্তু সত্য চিরদিনই এমন বিশ্রীই হয়। কি খেলে স্মৃতি বাড়ে; কি খেলে স্তন বাড়ে; কি খেলে চোখের জ্ব্যোতি বাড়ে; আর কি খেলে ডোপেমিন বাড়ে ; কি খেলে নিউরোইলেক্টন কমে বা বাড়ে আমরা ক’জনই বা এটার সত্যিকার খুঁজ রাখি। চুল পেকে গেলে বলি বয়স হয়েছে; দাঁত পড়ে গেলে বলি বার্ধক্য আমাকে পেয়ে বসেছে ; পা অথবা হাত অচল হলে বলি স্ট্রোক করেছে। অথচ সকল কিছুর মূলে যে রয়েছে অন্ধের মত খাদ্য গ্রহণ তা আমরা কেউই তলিয়ে দেখছিনা আজো। বড় বড় বুলির বিস্ফোরণ রোজই হচ্ছে এখানে ওখানে।হায়রে অজ্ঞ মানব জাতি আমরা! বড়াইয়ের অন্ত নাই।স্বর্গ নরক, ইহোকাল পরকাল আর জাত জাতি নিয়ে কতই না গবেষনার বৃথা আস্ফালন।প্লেট ভরতি সামনে খাবার এলেই, বাস্। ধরে কে! অথচ নিজের সুখাদ্যকে বাছায় করার মিনিমাম আজো কোন একটা জুৎসই গবেষণা নেই। থকলে বিশ্বের সুঠাম দেহের মিষ্টি ঘ্রাণে ভরে যেতো মানব হৃদয়।
প্রশ্নমালা :
১. গল্পটির শিরোনাম ব্যাখা কর।
২. খাদ্য বাছায়ে কি মানবজাতি এখনো পিছিয়ে আছে,ব্যাখা করে বুঝিয়ে দাও।
৩. খাদ্যগবেষণাগারের কি প্রয়োজন আছে?
৪. আমরা রোজ কি খাই তা কি আমরা জানি?
৫. গল্পটির সারমর্ম তোমার নিজের ভাষায় লিখো।
No comments:
Post a Comment