প্রকৃতির যুগল উন্নত বুক কি আর ফিনফিনে কুয়াসায় ঢাকে! কার বা সাধ্য আছে এ রুপ ঢেকে রাখার।ফুল ফুটেছে এত বেশী ফসলের মাঠে আজ। এত শীতেও পাখিরা তবু ধরেছে গান গলা ছেড়ে।শিশির মাড়িয়ে রাঙা পায়ে- ছুটে চলেছে দলবেঁধে, কি মধুর গান গেয়ে গেয়ে যেন ওদের জীবনে কোন বেদনাবোধ নেই ।নেই কোন রোগ শোক,নেই কাউকে হারানোর হৃদয় পোড়া আগুন জ্বালা। ঠোঁটে শুধু হাসি আর গানই লেগে আছে যেন সারাক্ষণ।আশ্চর্য ওদের এই জীবন জগত। হয়তো আছে; হয়ত নেই কিন্তু মানব মন তা জানে না আজো ।ওদের বুকের বেদনা হয়তো চোখের জলে ভাসে না।সে ভাষার রুপ কেবল তারাই জানে।মানুষের সেই বোধদৃষ্টির উদয় হয়তো এখনো হয়নিতাদের অন্তরলোকে। তাই সকালে পাখির গানে আমাদের ঘুম ভাঙে; কান্নায় নয়।ফুলকে আমরা হাসতেই দেখি। তার ফুল ফুটাবার লুকানো গভীর বেদনাকে কি কেউ দেখে কোনদিন? ভাবে সে বোধ সে ফুল আর পাবে কোথায়? তার তো চোখ নেই।কেমন করে সে তার বুকের কথা কবে ? এই সব ভাবতে গিয়ে হাঁটতে এসে আমার বুকের তলে কোন্ এক বেদনার যেন শিশির জমে উঠলো।ভোরের সূর্য ফুটলো ভোরে; দুপুর গিয়ে বিকেল এলো ; আমার বুকের জমাট শিশির ঝরলো না।ঝড়ে কত ঝরলো পাতা; আমার প্রেমের সে স্বর্ণ শিশির ঝরিয়া খসে পড়লো না।
No comments:
Post a Comment