কুয়াসায় ভিজা আজ সকালের স্নিগ্ধ শরীর।মাঠে ভিজা মাঠের ফসল; বাগানের ফুল; পথের ধূলো, এই সবই।ভোরের আলোর উষ্ণ চুম্বনে ঘাসের ডগার শিশির গুলোও যেন মুক্তার মত ঝলমল করছে। যেদিকেই তাকায় প্রকৃতি যেন কি এক অপরুপ রুপের লাবন্যে ভরে দিচ্ছে আমার দু’চোখ। সকালে হাঁটতে গিয়ে প্রকৃতির এমন সতেজ রমণীয় রুপের সাক্ষাত দর্শন সত্যিই আমার মত কপাল পোড়ার এক সৌভাগের ব্যপার। দূর থেকে গান গায়তে গায়তে ভেসে আসছে কত রকম পাখি আমি তাদের নামও জানি না। মৌমাছিরা শিশির ভিজা ফুলে বসে করছে মধু পান।যেন তর সইছেনা এতটুকু।শুনেছি, মানব প্রেমিক প্রেমিকারা নাকি এমনি ব্যকুল হয় প্রেমময়ের গভীর প্রেমে।কোথাও মন ভরে না ওদের ফুলের এই অমীয় সূধা পান না করা পর্যন্ত।মৃত্যুর বেদনা ওদের হীরকময় হৃদয়কে স্পর্স করতে পারে না। আমার ভাগ্যে আর হল কই এমন এক মহাপ্রেমিক হওয়া!তাই আমি রোজ হেঁটে হেঁটে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটায়। সাত সকালে কিছু মানুষকে দেখেছি তারা কোদাল হাতে ফসলের মাঠের দিকে ছুটে যেতে। কিছু লোককে দেখেছি মাটির ডাবর ও বাসনপত্র ভ্যান যোগে হাটের দিকে ছুটে যেতে। দেখেছি ফুলকপির পাতা কেটে সতেজ সাদা সাদা টাটকা ফুলকপিগুলো নেটের বস্তায় ভরতে। জীবনের রং যে এত মধুর হয় পথের পথিক না হলে বোঝা যায় না।এভাবেই আমার চরণ তোমার পথের ধূলিতে আমাকে তোমাকে পাওয়ার ভালোবাসা শেখায়।
No comments:
Post a Comment