মানুষের ইন্দ্রিয় রাণী যখন সখিদের নিয়ে আনন্দে মাতাল হয়ে উঠে,ঠিক তখনই তার সর্বস্ব লুঠ হয়ে যায়।বিচার কর্তব্যজ্ঞানহীন হয়ে পড়ে তখন সে।ফলে মৃত্যু তার একেরাবে কাছে চলে আসে তাকে খতম করার জন্য কিন্তু তা সে একটুও টের পায় না।এ যেন গভীর নিদ্রার কালো মেঘের মত জ্ঞানসূর্যকে ঢাকিয়া আঁধার নামায় মানুষের জীবনে।দুঃখ, অপমান, কলংক আর মৃত্যুর মত ফলই জন্মে এখানে। ফিরার পথ থাকে না স্বাভাবিক মানবজীবনস্রোতে।সে দিন পৃথিবী শখ করে চা খেতে এলো এক চায়ের দোকানে।খুব স্নেহময়ী বালিকা সে। দোকানির কাছ থেকে আমি তার নাম জানলাম। মেয়েটির নাম পৃথীবী।পৃথিবী দেখলো তার সামনে আরো পাঁচ ছয়টা বাচ্চা বসে আছে। তার খুব দয়া হল। এমনি নারী হৃদয় দয়ায় গড়া।তার উপর ওরা অভূক্ত পথ শিশু। দোকানিকে পাঁচটি সন্দেশ ঐ শিশুগুলোর হাতে দিতে বলে সে। পৃথিবীর খুব আনন্দ হল ওদের মুখের হাসি দেখে। খাওয়া শেষে বিল দিতে গিয়ে দেখলো পার্সে পৃথীবীর একটি টাকাও নাই। মনে হল টাকা বাসায় পড়ার টেবিলে রেখে এসেছে। তার এত বড় আনন্দ মুহূর্তটি অতি বড় বেদনায় পরিণত হল এত তাড়াতাড়ি। সে দোকানিকে টাকা ছেড়ে আসার বিষয়টি খুলে বলল।কিন্তু দোকানি বাকী দিতে নারাজ।সাফ কথা বাকী শোধ করে বাবা তুমি যাও। নিজের খাবার টাকা নাই সে নাকি দিচ্ছে হরিকির্তনের মহাযজ্ঞ নিমন্ত্রণ। পৃথীবী এখন মহা লজ্জিত। মাথা তার কাটা যাচ্ছে নিজের প্রতি নিজের ভীষণ ঘৃণা আর অপমান বোধ হচ্ছে। দোকানি বলল,দেখো মেয়ে- তুমি বাসায় যাবে কিন্তু ফিরবে কি ফিরবে না, তা কে জানে? তোমাকে তো আমি চিনি না। আবার, তুমি এলেই বা কিন্তু ঐ টাকা দিয়ে আমি কি করবো ? এখন টাকা দিলে আমি দুধ কিনতাম, চা কিনতাম। কে নিবে এই ক্ষতির দায়?? মেয়েটির চোখ ভরে গেলো জলে। আমি দোকানীকে বললাম মেয়েটির সব বিল আমি দিয়ে দিবো। ওকে ছেড়ে দিন। আর মেয়েটির জল ছলছল চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম, মা আখেয়াতও এমন কঠিন। এখানে আজ বাসায় গিয়ে ত�
No comments:
Post a Comment