আমি আজ শহরে এলাম।আমার সুহৃদয় বন্ধুরা সবাই জানেন রাজশাহী আসলে রাজভোগেরই শহর। জাতীয় চার মজিব ভক্ত নেতার একজন শহীদ কামারুজ্জামান ভাই।আর বড় কথা এটা হজরত শাহ মুখদম (রঃ) পবিত্র পায়ের ধূলি দিব্য সুপ্রচীন এক শহরতলী।এখানে আসলে এমনিতেই মানব মনে অসীম আনন্দের উদয় হয়। আমারও তাই হল।মহি আর মিহি আমার দুই পুষ্পতুল্য স্নিগ্ধ নাতী। আমাকে ধরে বসলো পদ্মা নদী ধারে যাবে ওরা।আমি বললাম থাক। ওরা বলল না।জেতেই হবে। তোমার সাথে নানু ঘুরতে ইচ্ছে করে।আমি বললাম করবেই তো।কিন্তু তোদের নানীর তো শখ নেই আমাকে নিয়ে ঘুরার। মিহি বলল,আমি পাখি নেব।মহি বলল, আমি বন্দুক নিব। আমি বললাম, আগে চল্ জোর কদমে।হেঁটে হবে আমাদের ভ্রমন যাত্রা। মিহি বলল,ইয়েস নানু, নো ওটো, নো রিকশা।দু’জনকে দু’হাতে ধরে পদব্রজে মর্দ্দ হাটিয়া রওনা দিলাম।শিরোইল বিহারী কলোনি থেকে রেলস্টেশনের ওভার ব্রীজে ওঠলাম। সকালের সূর্য তখন ভাটির কুলে নীলাকাশের ঠোঁটে হেসে উঠেছে। দেখেই মহি আনন্দে নেচে উঠলো।বলল- ওমা কি সুন্দর সূর্য! মিহি বলল, ঐ ট্রেনটাও তো সুন্দর, তাই না নানু? আমি বললাম, যাদের হৃদয় সুন্দর, তাদের চোখে সবই সুন্দর, নানু ভাইয়া। এরপর দেখলাম নিউমার্কেট। মহি বলল, একে কেন নিউমার্কেট ডাকে নানু? আমার তাল তো গোল এখন। এ তো এক ইতিহাস নানু।এখান থেকেই শহীদ কামারুজ্জামানের নেত্তৃ্তে রাজশাহীবাসী বঙ্গবন্ধু নতুন এই বাংলাদেশের স্বাধীনতা উদয়ের খবর পেয়েছিল প্রথম। তাই এই মার্কেটের নাম নিউ মার্কেট। নিউ মানে নতুন।তারপর আমরা হেঁটে হেঁটে পৌঁছে গেলাম সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টের ওপারে।আমি বললাম,নানু এটা সাহেব বাজার বড় মসজিদ। মহি বলল,বাপরে বাপ কত বড় মিনার নানু! আমি বললাম- হ্যাঁ, যাঁরা দয়াময়কে ডাকেন,তাদের হৃদয়ও ঐ মিনারের মত এমন সুবিশাল হয় নানু।নামাজের মাধ্যমে দয়াময়কে ডাকতে হয়।আর দেহের সকল নফ্সের ইচ্ছাকে সর্বশক্�
No comments:
Post a Comment