এক গ্রামে ছিল এক অতিব সুন্দরী নারী। তার যেমন ছিল অঢেল রুপ, তেমন ছিল ধন দৌলত। কিন্তু মেয়েটি ছিল অবিবাহিত। এ ভরা যৌবন সে রাখবে কোথায়? তাই সে বিবাহের সিদ্ধান্ত নিল। যথা সময় সে এক ঘটকে তলব করলো সে। ঘটক এলো।ঘটকরাজ ছিল খুব চতুর ও বুদ্ধিমান। মেয়েটিকে লক্ষ্য করে ঘটক বলল, মা তুমি কোন চিন্তা করো না।তোমার জন্য একটা ভাল পাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই আমি ঠিক দেখো তোমার কাছে নিয়ে আসবো - আসবোই।গ্রামের মেয়ে তো। এরা যেমন সরলা তেমন দেহ মাধুয্যে পবিত্রা। ঘটকের মুখ।খাজনার চেয়ে বাজনা বাজায় বেশী।এটা আমার প্রিয় পাঠক পাঠিকারা নিশ্চয় জানেন এতে আমার বিন্দুমাত্র কোন সন্দেহ নাই। তার রসালো ঘোষনায় পাত্র ও জুটে গেল। কিন্তু একটি নয়। দুই দুইটি। দুই জনই তার টসটসে রুপ দেখে ভীষণ ক্রেজি হয়ে উঠেছে। আর ঘটক বেচারা তো খুশিতে হলো লালে লাল । সুযোগ সে হাতছাড়া করতে চাই না। যার উপঢৌকন সে বেশী পাবে তাকেই সে স্বপ্নপুরীর রাজকুমার বলে চালিয়ে দেবে। সত্যি সত্যি তাই হয়ে গেল। দুজনই ভাল। কিন্তু সিট তো একটা। যে ঘটকের মনের মত হল তার সাথেই মেয়েটির শুভবিবাহ দিয়ে দিলেন ঘটকসাহেব। এখন বাকী পাত্রটি বিদ্রোহ করে বসলো। বলল এটা ঘটক বেটার কারসাজি। টাকা খেয়ে পাষাণ ঘটক এই দুষ্কর্মটি করল। ঘটক শুনে চটে আগুন। বেটার বিয়ে করার মুরোদ নাই।আর বড় বড় কথা। সংবাদ সম্মিলন করে ঘটকের উপর চাপানো হল মিথ্যা যত অপবাদ। ঘটক আইন বুঝেন। সে বলল, আমাকে যে সে টাকা দিয়েছে তার প্রমাণ দেখাও। বেচারা ব্যর্থ বিদ্রোহী পাত্র প্রমাণের অভাবে কোর্ট গিয়ে নিজের ভুলে নিজেই অপরাধী বনে গেলেন।সুবাতাস মেয়েটির গায়ে লাগলো। ঘটকের মুখে ফুটলো ভোরের বিপুল হাসি।
প্রশ্নমালা:
১. গল্পটির শিরোনাম ব্যাখ্যা কর।
২. গল্পটিতে কোন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে?
৩. বিদ্রোহ পাত্রের কিসের অভাব ছিল বুঝিয়ে বল।
৪. এই গল্পে ঘটকের ভূমিকা কতটুকু সঠিক তা নিজের �
No comments:
Post a Comment