দেহের শত্রু মন আর মনের শত্রু দেহ। দু’জনই একে অন্যের প্রতি সবসময়ই ঘোর উদাসিন। ভুলভাল তাই এত মানব জীবনের প্রতিটি কর্মে। প্রতিদিনের কাজে কিছু না কিছু অসংগতির নিশ্চিত সে মুখোমুখি হয়। হোক সে অনেক বড় বা ছোট। মানব দেহে সদাই চলে এই বৈষম্য। চরম বিরোধীতা দেহের সাথে মনের। প্রথম মানব আদম থেকে শুরু করে আজ অবধি চলছে এমন দুষ্কর্ম সম্পাদান। মানব কুল এখন সংখ্যায় অনেক। তবু, আফসোস! ভীতরে তাদের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হলো না আজো। তাই বাইরে হচ্ছে রক্তারক্তি আর ভীতরে হচ্ছে
অন্তঃসারশূণ্য। কেন মানুষ আনন্দের সর্বোচ শিখরে পুঁছতে পারছে না? এ ব্যপারে মানুষের ভাবনাও কম। তারা ভাবে হয়তো যুদ্ধই এটার একমাত্র সমাধান। সম্পদ লুট। না হয় গোটা বিশ্বের একছত্র মালিক হওয়ার উন্মাদনা। নিজের অন্তরের মালিক কেন জানি তারা আজো হতে পারলো না এই মহা বিশ্বে। এখানেই দুঃখের জন্ম।এই রোগের কবে যে সঠিক প্রতিষেধক মিলবে তাই -ই বা কে জানে, দয়াময়!
প্রশ্নমালা:
১. গল্পটির শিরোনামটি ব্যাখ্যা কর।
২. দেহ ও মন আলাদা কেন?
৩. কোথায় দেহ ও মনের অমিল ব্যাখ্যা কর।
৪.কেন যুদ্ধ ইহার সমাধান নয়?
৫. দেহ ও মনের মিলন প্রতিষ্ঠায় আসলে কি কি প্রয়োজন?
No comments:
Post a Comment