Sunday, February 20, 2022
A golden village dream
A life
The more it rains, the more the tree develops with the green leaves in his whole big branches. The rain carries a life from somewhere to the tree but yet it doesn't come to know it in his life. He asked himself, 'Where does a life come from? How does a cloud see the love of life in it? ' A young tree like a man keeps thinking over time. But it finds no right answer from anyone.. A life gives him power to stand. After dropping the old leaves,new ones come up. The tree blooms and the fruits appear as a new shape at full. Where was it's life looking forward to it ?
Then, What is a life? Is it the rain? Is it the air? Or Is it the cloud? The tree can not figure it out any more. He thinks, 'If the rain is a life, it has no leaves like me.No root that goes into the deep soil of the earth. A cloud has no standing point like me. It has no fruit either. No bird comes up with a charpping mood. A cloud never ever sleeps in the nest like birds.Likewise
the rain has no colour as painted green on the leaves of the trees. Where does a life hide within it?
The rain has no thirst like a tree. It never starves like me for food.It has no timber for a wonderful furniture. The tree looks up to the air and said, Air is not vigible.How does it go with the life.It has no body like a tree. It has no hive like bees that eat up hony at night. So how does a life move so fast into it? The tree has no one to get his answer back to him? This thought gets him distorted again and again in 24 hours.
Questions:
1.What is a life?
2. Who discovers life?
3.What is personified in the story?
4.Which particle is not a life?
5. Write a summary of the story?
A captiving Question
Once a teacher at college put a question to the students in the class.Now my readers will generally get curious to know what the special big question is about which a teacher really can ask in the class.This is how the story begins with a pragmatic question. The day was super highly pretty like smiling. The air was like the ripples of the padma river in the morning. The temperure was phenomenally warm like the comfortable zone within the quielt in the heavy winter. It was a lot more like the flower perfumed oxygen and the life promoting energy shining. The class was full of so curious learners at 10:30.Professor Mamun came and addressed all students with a lot highly warm and welcoming wishes. He came right with a couple of questions as he was a qualified professor of psychology and language mentor.
Smilingly he threw a question to class and wrote it on the whiteboard: How does a tree develop in nature? No reply came from the students. Then the teacher said again ; We are the children of nature. Go back to nature to develop the life we live. The nature cares and looks after every life so neatly in time. So the seasons appear one after another. It all comes with leaves, flowers and fruits in the tree. Their food comes from the sun. And the sun comes from Dear Almighty God.So You are a pretty human race. You first opened your eyes with the love your mother and She is your first mentor. This geat nature is just like your wombed mother. The nature itself is your great teacher and all sources of higher knowledge and discoveries.
Secondly you must have a goal like a tree. You need wonderful flowers and fruits in your own livies to get to blossom for not for you but for the next generations to come. Life will have to give all back whatever it is obtained by Dear God. But we often forget this divine order having a lot of riches. Life hardly figures out the time of death.
Question;
1. What is the task of life?
2. What are we doing now?
3. Why do nature give us so much?
4. Where does knowlede pack up at full?
6. why does a pretty life distort?
The choice of boat
What is the Boat? The boat is the electoral symbol of the powerful Awami League. Following the local Government election-2021 the promising cadidates from the ruling party are putting the heavy weight about their past records and activities to the people. Every one hopes to have the boat. But the boat is like a pretty youthful lady whom everyone figures out as tremendously great to win. She is like a gravitation force to draw all towards her beauty of excellence. But She will love the one who is physically, financially, politically and inllectually super highly developed to meet her need and turn her dream true. But only one will win her love and the fallen will show demonstration against the hero. The fallen will come with million of excuses and pointless comments to support their meanest selfish egoes and will throw their hostile forces to hit the hero. Truth is that they have no the skill of ability to love if she offers her whole body to them. They are truly powerless but they don't know it.So it is really good for them to stay within their own limits and to practise to improve more their art of politics. If the fallen are fit, She will come back again to them to satisfy their thirst of love..The unfit can produce nothing. The boat knows it pretty well.
Question;
1. why do you think that the boat is a pretty woman of passion?
2.Who can love the boat?
3. What things does it take to love the boat?
4.When does the fallen hope to win the heart of boat?
5.What is the summary of the story?
Dark in light
রাজহংস
খাদ্য আস্ফালন
A Bad Dream
প্রাণের উড়া
আমি কলেজের এক খোলা জানালা দিয়ে যেই মাঠে চোখ রেখেছি, কি এক অদ্ভুত আনন্দ ঢেউয়ের মত আমার চোখে নেচে উঠল হেসে। ঘাস খাচ্ছে এক সুদর্শন ছাগল ছানা আর তার দুপাশে আছে দু'টি সাদা বক পাখি। মাথায় ঝুঁটি আছে অনেকটা লালন প্রেমী নরনারীর মত। কেমন প্রাণে ভরা উজ্জল সাদা বুক। পা গাঢ় বাদামী চীনা নারীদের গায়ের রঙের মত। কটকটে ও সুঠাম। ছানাটি সর্দ ফুটে উঠা কচি ঘাস মনের আনন্দে দাঁতে কুচকুচ করে ছিঁড়ে খাচ্ছে একা আর বক পাখি দু’টি ঐ ঘাস থেকে ঝাঁপিয়ে লাফিয়ে পড়া পোকামাকড়গলো দক্ষ শিকারীর মত অতি মনোযোগ দিয়ে লপাং লপাং করে ধরে ধরে গিলে খাচ্ছে।অথচ কেউ কারো প্রতি বিশ্রী হিংসার কোন বিষবাষ্প নিক্ষেপ করেনি। কারো খাবারও কেউ খায়নি। এভাবে একের খাবারে দয়াময় আবার অন্যের খাবার অতি সযত্নে সাজিয়ে রেখেছেন।কত পরম দয়ালু প্রিয় দয়াময় আমার! অথচ আমরা মানুষ তা পারি না। দেখলাম,পেট পুরে খেয়ে যখন পাখিরা উড়ে গেল জলের উপর পাখা মেলে,তাদের ছায়াগুলোও উড়ে গেল তাদের সাথে সাথে পিছে পিছে।মনে হলো ছায়াগুলো যেন মানব দেহ আর পাখিগুলোই যেন মানব প্রাণ। আমরা কেবল ছায়া দেখি,প্রাণপাখি দেখি না।দেখতেও পায় না এই সুন্দর পলকতোলা চোখে।প্রাণ পাখি যেখানে উড়ে যায়, দেহও এভাবে ওখানেই চলে যায় একদিন।হয়তো ছায়ার অন্ধ চোখে আমরা প্রাণের উড়া দেখতে পায় না। এই যা।
প্রশ্নমালাঃ
১. গল্পটির শিরোনামের ব্যাখ্যা কর।
২. এই গল্পে বক পাখি কি আর ছাগলই বা কি?
৩. যা দেখা যায় না তা এই গল্পে লেখক কিভাবে দেখলেন?
৪.গল্পটি এত সাদামাঠা কেন?
৫. গল্পটির মূল বক্তব্য নিজের ভাষায় লিখ।
প্রেমের জলে সোনার নৌকা
তৃনমূল সাংগঠনিক প্রক্রিয়া ভেঙে গেলে সেখানে তো থাকবে শুধু অথৈই জল আর জল।ডুবিয়া মরার জন্য বিষাক্ত এক নাগিন অশান্ত সাগর। বেঁচে ফেরার পথ নেই যেখানে।তাই যদি এখনো নিদান ঘুম না ছোটে; এখনো সুখের নেশার ঘোরে নেতারা চোখ না খুলেনা জেগে না উঠে, ঐ বিষাক্ত মরণ কামড়ের আগে তার প্রতিষেধকটি শরীরে পুষ করে জীবন রক্তে মিশার একটু সুযোগ করে দাও, দয়াময়।আমরা বড় অসহায় ; বড় দুঃর্ভাগ্য বিড়ম্বিত তৃনমূলের ছির্ণমূল ছিঁড়াপাটা সাংগঠনিক মানুষ। আমরা ভাইয়ে ভাইয়ে রক্তক্ষরণ সইতে পারি না। আমরা হৃদয়ে বিভেদ পুষি না। আমরা মিলনে মধুর আনন্দ পায়; বিরহে বিশ্রী চোখের জল আসে। এত বড় আওয়ামীলীগ দল কি আসলে এত বড় ঠুনকো? এই বিভেদে আমরা পা রাখবো কোথায়? সোনার মানুষের সোনার বাংলার জন্য শুধুই কি চোখের জল ফেলায় সার? দেখার দৃষ্টি মেলার সে অযুথ শক্তি কোথায়? কবে সেই উলঙ্গ কন্ঠে গর্জে উঠবে নেতারা জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে? কবে সেই সোনার নৌকা গভীর প্রেমের জলে ভাসবে ইউনিয়ন নির্বাচনে-২০২১শে এখানে?
ওগো ভয় নির্ভয়ময়
এক যৌবন স্নিগ্ধ নারী
এক গ্রামে ছিল এক অতিব সুন্দরী নারী। তার যেমন ছিল অঢেল রুপ, তেমন ছিল ধন দৌলত। কিন্তু মেয়েটি ছিল অবিবাহিত। এ ভরা যৌবন সে রাখবে কোথায়? তাই সে বিবাহের সিদ্ধান্ত নিল। যথা সময় সে এক ঘটকে তলব করলো সে। ঘটক এলো।ঘটকরাজ ছিল খুব চতুর ও বুদ্ধিমান। মেয়েটিকে লক্ষ্য করে ঘটক বলল, মা তুমি কোন চিন্তা করো না।তোমার জন্য একটা ভাল পাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই আমি ঠিক দেখো তোমার কাছে নিয়ে আসবো - আসবোই।গ্রামের মেয়ে তো। এরা যেমন সরলা তেমন দেহ মাধুয্যে পবিত্রা। ঘটকের মুখ।খাজনার চেয়ে বাজনা বাজায় বেশী।এটা আমার প্রিয় পাঠক পাঠিকারা নিশ্চয় জানেন এতে আমার বিন্দুমাত্র কোন সন্দেহ নাই। তার রসালো ঘোষনায় পাত্র ও জুটে গেল। কিন্তু একটি নয়। দুই দুইটি। দুই জনই তার টসটসে রুপ দেখে ভীষণ ক্রেজি হয়ে উঠেছে। আর ঘটক বেচারা তো খুশিতে হলো লালে লাল । সুযোগ সে হাতছাড়া করতে চাই না। যার উপঢৌকন সে বেশী পাবে তাকেই সে স্বপ্নপুরীর রাজকুমার বলে চালিয়ে দেবে। সত্যি সত্যি তাই হয়ে গেল। দুজনই ভাল। কিন্তু সিট তো একটা। যে ঘটকের মনের মত হল তার সাথেই মেয়েটির শুভবিবাহ দিয়ে দিলেন ঘটকসাহেব। এখন বাকী পাত্রটি বিদ্রোহ করে বসলো। বলল এটা ঘটক বেটার কারসাজি। টাকা খেয়ে পাষাণ ঘটক এই দুষ্কর্মটি করল। ঘটক শুনে চটে আগুন। বেটার বিয়ে করার মুরোদ নাই।আর বড় বড় কথা। সংবাদ সম্মিলন করে ঘটকের উপর চাপানো হল মিথ্যা যত অপবাদ। ঘটক আইন বুঝেন। সে বলল, আমাকে যে সে টাকা দিয়েছে তার প্রমাণ দেখাও। বেচারা ব্যর্থ বিদ্রোহী পাত্র প্রমাণের অভাবে কোর্ট গিয়ে নিজের ভুলে নিজেই অপরাধী বনে গেলেন।সুবাতাস মেয়েটির গায়ে লাগলো। ঘটকের মুখে ফুটলো ভোরের বিপুল হাসি।
প্রশ্নমালা:
১. গল্পটির শিরোনাম ব্যাখ্যা কর।
২. গল্পটিতে কোন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে?
৩. বিদ্রোহ পাত্রের কিসের অভাব ছিল বুঝিয়ে বল।
৪. এই গল্পে ঘটকের ভূমিকা কতটুকু সঠিক তা নিজের �
মিলে অমিল
দেহের শত্রু মন আর মনের শত্রু দেহ। দু’জনই একে অন্যের প্রতি সবসময়ই ঘোর উদাসিন। ভুলভাল তাই এত মানব জীবনের প্রতিটি কর্মে। প্রতিদিনের কাজে কিছু না কিছু অসংগতির নিশ্চিত সে মুখোমুখি হয়। হোক সে অনেক বড় বা ছোট। মানব দেহে সদাই চলে এই বৈষম্য। চরম বিরোধীতা দেহের সাথে মনের। প্রথম মানব আদম থেকে শুরু করে আজ অবধি চলছে এমন দুষ্কর্ম সম্পাদান। মানব কুল এখন সংখ্যায় অনেক। তবু, আফসোস! ভীতরে তাদের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হলো না আজো। তাই বাইরে হচ্ছে রক্তারক্তি আর ভীতরে হচ্ছে
অন্তঃসারশূণ্য। কেন মানুষ আনন্দের সর্বোচ শিখরে পুঁছতে পারছে না? এ ব্যপারে মানুষের ভাবনাও কম। তারা ভাবে হয়তো যুদ্ধই এটার একমাত্র সমাধান। সম্পদ লুট। না হয় গোটা বিশ্বের একছত্র মালিক হওয়ার উন্মাদনা। নিজের অন্তরের মালিক কেন জানি তারা আজো হতে পারলো না এই মহা বিশ্বে। এখানেই দুঃখের জন্ম।এই রোগের কবে যে সঠিক প্রতিষেধক মিলবে তাই -ই বা কে জানে, দয়াময়!
প্রশ্নমালা:
১. গল্পটির শিরোনামটি ব্যাখ্যা কর।
২. দেহ ও মন আলাদা কেন?
৩. কোথায় দেহ ও মনের অমিল ব্যাখ্যা কর।
৪.কেন যুদ্ধ ইহার সমাধান নয়?
৫. দেহ ও মনের মিলন প্রতিষ্ঠায় আসলে কি কি প্রয়োজন?
প্রাণদরদী
আমি না জানি আগে
না জানি পরে, দয়াল
কি নিয়েই বা আজ
আমি
বাঁচি বল ভবে?
এত বড় এ মহাকাল জলধী
তুমি ছাড়া দেখি নাই দরদী -
কি করিতে কি করি আমি
তুমি ছাড়া সে পথ কি চিনি
আমি-
তোমার তরী তোমার সাগর
তোমার প্রেমের আমি দুখের
নাগর-
একবার যদি ফিরে না চাও
প্রাণদরদী বলে আমি ডাকবো
কারে আর?
আমি না জানি আগে
না জানি পরে, দয়াল
কি নিয়েই বা আজ
আমি
বাঁচি বল ভবে?
তোমার নামে হারাইয়া সব
কি কলঙ্ক জ্বালায় জ্বলি
চোখে আর আসে না পানি
দরদী গো-
এই দুঃখ আমি কারে বলি-
এখন কাছে যদি আসো, দয়াল
আমার চিনার চোখে আলো
নাই-
আমি না জানি আগে
না জানি পরে, দয়াল
কি নিয়ে কি নিয়েই বা আজ
আমি
বাঁচি বল ভবে?
Saturday, February 19, 2022
কে সত্যের যোগ্য নয় ?
কি হয় বল মিথ্যা
দিয়ে-
শয়তান কি আসে
সত্য নিয়ে ?
সে তো সত্যের
যোগ্য নয়-
তার সত্যকে ধরার
সামর্থ নাই।
সে তো বোধবঞ্চিত
ব্যর্থকর্ম যা সঞ্চিত:
সে ঘোর অত্যাচারী
ব্যভিচারী হত্যাকারী।
Thursday, February 17, 2022
জয় বাংলা,জয় বঙ্গ বন্ধু
শুনেছি, মাক্যাইল জ্যাকসান একজন বিশ্ব বিখ্যাত গায়ক। তিনি কি উন্নত দেশের নাগরিক নন? সে দেশের চিকিৎসা ব্যাবস্হা কি উন্নত ছিল না?এছাড়া উন্নত দেশের মানুষ কি চিরদিন বেঁচে থাকেন?আপনারাই তো হাদিস কোরআন দিয়ে বড় বড় ওয়াজ মারেন।বলেন, মানুষ চির দিন বাঁচে না। তাহলে, কেন আপনারা মিথ্যার উপর দাঁড়াচ্ছেন? মহান আল্লাহ ছাড়া কেউ কাউকে কি বাঁচাতে পারে, ভাই? ধরে নিলাম আপনাদের এই বিশাল মিথ্যার এই ক্ষুদ্র আন্দোলনটি আসামী খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর জন্য একটি দলের টান,তাহলে সেই আসামীকে বাঁচানোর জন্য নিজেদের পকেট থেকে টাকা বেরুই না কেন? উৎলে পড়া ঐ ফেনা তুলা দরদ যাচ্ছে কোথায়? যে সরকার আসামীকেও মানবতার সুবিধা দিচ্ছে, তাঁকেই আঘাত কবার জন্যই কি নয় আপনাদের ঘৃণ্য এই পদক্ষেপ? আপনাদেরই পাপ আপনাদের দেহ বিষাক্ত করে তুলেছে,ভাই।সেই পাপবৃক্ষের ফল কি করে সুমিষ্ট হয়? মন্দ চিন্তায় ভাল ফল জন্মায় না। সাহস থাকলে মাঠে নামেন।এটা এদেশের গরিব দুঃখী মানুষের ওপেন চ্যালেন্জ। দাঁড়াতে পারবেন না। জলেও জায়গা দিবে না। এটাই জননেত্রী মানবতাবাদী পাকাপোক্ত শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ।জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
ছিঃ! ছিঃ! ছিঃ!
নেতারা যদি বিদেশে চিকিৎসা করেন,
আমরা নিপিড়িত জনগণ চিকিৎসা করবো
কোথায়?
প্রতিটি মানুষের এই
সমাজে কিছু না কিছু অবদান আছে, ভাই।
এটা কেমন করে আপনারা ভুলে গেলেন?
কই! আমাদের চিকিৎসার জন্য তো কেই আপনারা আন্দোলন করেন না।
একজন আসামীর জন্য চোখের ঘুম
যদি আপনাদের হারাম হয়,
তাহলে
আমরা আমজনতা হালাল নিদ্রা পাবো
কোথায়?
আগে প্রতিটি অসুস্হ সাধারণ মানুষের
বিদেশে চিকিৎসার সুব্যবস্থা করুন,তারপর
নেতাদের কথা ভাবুন। নেতারাই যদি আগে খায়, তবে জনসেবার কথা কি আপনারা মুখফস্কে বলেন, ভাই? ছিঃ! ঐ মুখে অভিশাপের আগুন পড়ুক।একজন প্রধানমন্ত্রীর
জীবন আর একজন সাধারণ মানুষের জীবনের
মধ্যে কি ফারাক, ভাই?
মানুষের জন্য আপনাদের মন পুড়ে না, মন পুড়ে
বড় বড় নেতাদের জন্য। কি করেছেন ক্ষমতায় থেকে?
নিজেদের বাঁচার জন্যও তো একটা জুতসই হাসপাতাল করতে পরতেন। এই দুরাবস্হার কথা কে আপনাদের ভুলিয়ে রেখেছিল?কোন্ যাদুকরী মক্ষীরাণী সে?
আজ মানবতার জয় গান গাচ্ছেন।অপরাধীই যেন আপনাদের প্রাণ হয়ে উঠেছে।ইহার চেয়ে বড় ভন্ডামী
আর কি হতে পারে, বেঈমান? এটাও আমাদের মত এই গরিব মানুষদের দেখতে আজ হচ্ছে, দয়াময়। ছিঃ!ছিঃ!ছিঃ!
আরো অচেনা
মহান সংসদভবনের চেয়ে মহান সাংসদ মহোদয়েরা নিশ্চয় অনেক বেশী পবিত্র সুন্দর। এখানে এমন মাহি মুরাদ ফোনালাপ সত্যিই আমাদের কষ্ট লাগে। নিজের পরমা সুন্দরি বউ না থাকলে না হয় এমন ড্রিরেইল হওয়ার তাপ সওয়া যায়।তৃনমূলের আমরা ক্ষুদ্র গরিব কর্মী মাত্র।অনেক চোখের জল দিয়ে আমরা দলকে টিকিয়ে রাখি।নিজেকে আমরা কি দিয়ে প্রবোধ দিবো, দয়াময়?
মন্ত্রী হলে অনেক নারী লাগে না কি, ভাই? আমাদের মত গরিব কর্মীদের প্রাণই তো বাঁচে না,ওত যৌবনজ্বালা আর পাবো কৈ? ভাইরে, এই আমাদের প্রাণের আওয়ামীলীগ। বড় দুঃখের সাগর জলে মানব প্রেমের নৌকা বাই আমরা। আমাদের কেউ চিনে না।আরো অচেনাই হতে চাই আমরা। দায়িত্ব দয়াময় আল্লাহর দান। তাঁকে অপমান করবার অধিকার পৃথিবীতে কারো নাই।যে করবে, তার ফল সে পাবে। তবুও,ঘটনার সত্যতা অবশ্যই খতিয়ে দেখা চাই। নারী মা।নারী প্রেম।নারী প্রাণের সূর্য দুয়ার।জীবনের প্রথম চুম্বন। সেই অপমান না যাই সওয়া, না যায় কওয়া। আমাদের সোনার মনবী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আল্লাহ আরো যেন এই সত্য পথে কাজ করার সুকোমল প্রেরণা দান করেন।নইলে জলের গর্তে হয়তো আরো মৎস অনায়সে ঝাপোই খেলতো।নিজেকে ভুলে।নিজের কাজকে ভুলে।
ঠান্ডা মাথার মৌলবাদী
আমাদের দেশে কিছু কিছু বেসরকারী বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে কোন রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন নাই কিন্তু সেখানে ঠান্ডা মাথার মৌলবাদী শক্তি উত্থানের আজব কারখানা তৈরী হচ্ছে অবাদে।কেমন করে আওয়মীলীগের বড় বড় নেতাদের মদদ দিয়ে ভাল ভাল আওয়ামীলীগ পন্থি শিক্ষকদের হেনস্হা করা যায়,আরো অপমান করা যায়, বেতন কাটা যায় এমন অমানবিক হীন মন্য কাজও বাহাবার সাথে কবুল হচ্ছে ইদানিং।সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আওয়ামী পন্থিদের ভাল কথা বলবার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। কি রসের নেশা যে নেতাদের মাথায় তারা দিয়েছেন,এক্কেবারে তারা বোধশক্তি হীন হচ্ছে দিন দিন।সরকারী অনুমোদন ছাড়াই শিক্ষক নিয়োগের বিশাল অংকের টাকায় বড় বড় বিল্ডিং করে দিব্বি সুনাম কুড়াচ্ছে বি এন পি জামাত পন্থি ভাইরা। অবাক লাগে ধৃষ্টতা দেখে। আমরা চোখের জল দেখাবো কাকে,দয়াময়?তাই ভাঙ্গাচুরা দুই চারটে লাইনেই লিখলাম, এই যা।
A greedy tea seller
Almost everyday I go to the market.It was a pretty small market. I usually go there,because I had some jobs to do over there. I take my breakfast first with purlse, potatoes and rice.It sounds so delicious to me when I eat hot.I like green chillies to take with my food.I never eat eggs with the other stuff I take. I like to take many eggs like rice. I get at full with it one day in a week.People feel it ludicrous. But I care nobody. My hunger is an alligator. I can't get it stop from eating when it needs to take. I can now realize why alligators eat so much. It is for the tension.The tension develops more for the want of food. The river can't always serve the food they need every day. But God is the real food provider of all.However, I go happily to the market. I generally take a cup of hot milk in a tea stall. The owner of the tea stall marks my happy mood carefully. One day he insists me to borrow some money. A large family causes him to a big trouble. Besides he sets a boy in the shop to serve tea and collect money from the customers. I recommend him to call Almighty God in prayers. Only God can make a man rich and happy. But next day he did not treat me so highly great as before and did not serve me anything at all to eat. I am a real cash provider for the food I take. I said to God how stupid the tea seller is. Who looks after and cares him without you, God ?
তালিতে তাল নেই
নায়িকা মাহির কথা একটু বলতেই হয় এখানে।একটি নারী হয় মা,নয় বোন, নয় প্রেমিকা,নয় ঘরের বউ। মুরাদের সংগে তার আসলে সম্পর্কটা কিসের?? আমরা গরিব দেশের গরিব জনতা জানতে চাই। পুরুষ অপরাধী হলে তার যেমন শাস্তি হওয়া দরকার,পাশাপাশি এক জন নারীরও সমান অপরাধী হলে তারও সুবিচার আমরা চাই। জগতে নারী পুরুষের আল্লাহ পাক সমান অধিকার দিয়েছেন। যে দেশে নারী পুরুষের অবৈধ প্রেমের রস মানুষ সুধার মত লুফে নেয়। সে দেশের মানুষের মনন কত বিশাল তাও নিখুঁতভাবে খতিয়ে দেখা চাই। আমরা আমেরিকার ক্লিনটন মনিকার কথা ভুলে যায় নি।ভাব থেকে হয় জ্ঞান আর জ্ঞান থেকে হয় সৃৃষ্টি। যা সৃষ্টি হল তা আসলে কি? তলিয়ে দেখতে বাঁধা কোথায়? নায়িকারা কি রাজনীতিবিদের চেয়ে বেশী জ্ঞানের অধিকারী? তাহলে পবিত্র জাতীয় সংসদ, জতীয় সিনেমা হল হোক না, ভাই।এক হাতে তো তালি বাজে না।আপনারা কেন এই সব ভুলে যান। ভাবনায় আমার ক্লান্তি দাও, দয়াময়।
নায়িকা ও ইসলাম
ইসলাম ধর্ম কি জামাত /বি এন পি কে নায়িকা হওয়ার পারমিট দিয়েছে? কিসের সম্পর্ক মুরাদ মাহির? মা ফাতিমা (রাঃ) কি নায়িকা ছিলেন? এই কুলাংগার মেয়েদের আমরা বিচার চাই? এক জন নারী প্রশয় না দিলে এক জন পুরুষ কখনো সেখানে যায় না। ধান ভানতে কেন ফর্সা হাটু বেরুলো? এ কোন নেকামী, ভাই?এ প্রশয় বিভিন্ন রকমের হতে পারে। টোপ দিয়ে মাছধরা ও হতে পারে। আবার হতে পারে শাক দিয়ে মাছ ঢাকাও। নিজেরা ব্যর্থ হয়ে ভিনদেশীকে যারা ডাকে নিজের দেশের,নিজের ঘরের ক্ষতি করতে, তারা আর যাই হোক,দেশ প্রেমিক নয়। তাদের দোসরদের বিশ্বাস ঘাতকতার জন্যই ৩০ লক্ষ বাঙালির প্রাণ গেছে,ইজ্জত গেছে দুই লক্ষ মা বোনের। এক পরিবারের দুই ভাইয়ের একজন যদি কোন ভিনদেশীকে ডেকে নিজেদের পরিবারের ক্ষতি করতে চাই,তাহলে তার মত বিশ্বাস ঘাতক আর জগতে নাই। ওরা ডাবল স্টেনডার্ড।ওদের দয়া নয়,করুনা করাও আল্লাহর নিষেধ। ওরা লোভী। স্বার্থে অন্ধ। ওদের কাছে কেউই আপন নয়,স্বার্থ ছাড়া। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় তা আমরা কখনোই হতে দেবো না।দয়াময়, তুমি সহায় থেকো আমাদের।
আকাশ আগুন
আমি জমিদার নই।গ্রামে এক আধটু জমি জিরাত না থাকলে মুখের খাবার তো আর ভূতে যোগাবে না।শুনেছি, এক কালে কোন এক দেশে মানুষের খাবার ভূতে যোগাতো। এযুগে সেই সব মহিয়ান ভূত গুলো বেঁচে থাকলে কতই না মজা হত এই অসহায় গ্রাম বাংলার মানুষের।তবে এখন আর এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেছে অজোপাড়া গ্রামেগন্জেরে, ভাই। তা হল গরিব বান্ধব আমাদের সরকারের উদার হস্ত প্রসারণ। বিবাহ ভাতা, বয়ষ্কভাতা, পেটে বাচ্চা থাকা কালিন নারী ভাতা,আবার মায়ের ভাতা, লেখাপড়ার ভাতা, শিক্ষক শিক্ষিকার টিউশান ভাতা,চাকুরীজীবীদের বোনাস ভাতা,সর্বপরি - ফকিরদের থোক বরাদ্দ ভাতার সুগন্ধ এখন হলেরমোড়ে, ছোট বড় রাস্তার মোড়ের চায়ের দোকানগুলোর আলোচনার খোশ্ খোরাক।উন্নতজাতের গবাদি পশু যেমন - গরু, ছাগল, রাজহংস, পাতি হংস,চীনা কালো মুরগী, মাঠে হাইব্রীডের চিকন ধান, পুকুর অথবা দিঘির জলে বড় বড় পেটিওলা সিলভারকাপের মাছ, গাছে গাছে কলমজোড়া রসে ভরা ফল, বাতাসভরা ফুলের মৌ মৌ সুগন্ধ।তাই শেখ হাসিনা সরকার অন্য দলের কাছে ঈর্ষার কারণ আজ। তারা একা পেরে না উঠায় সাথে ডাকছে বিদেশী ভাইদের। কিন্তু বিদেশীরা তো তাদের মত ঈর্ষাপরায়ণ নয়। তাঁরা আজ মানবতার অনেক শীর্ষে। তাঁরা তাঁদের দেশকে,দেশের মাটি ও মানুষকে আমাদের বিরোধীদলের ভাইদের চেয়ে অনেক বেশী ভালো বাসেন। আমাদের চেয়ে বাহির বিশ্ব অনেক বেশী কালচার্ড ও অনেক বড় সুন্দর মন ওদের।অন্তরের শিক্ষা না থাকলে মানুষ কখনো বড় হতে পারে না। বলতে লজ্জা লাগে ; আমারা আজ ভূল ধরা জাতী।ফুল ফুটানো নয়।যারা নিজের ভুল নিজে ধরতে পারেনা। তারা অন্ধ। এটা তাদের ধৃষ্টতা। তারাই আবার ভিনদেশী বন্ধুদের নিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলন করতে চাই। এটা কি সত্যি হাস্যকর নয়? সরকারকে সহযোগিতা করা ছাড়া সারা পৃথীবীর কোন দেশে কি এমন মনন বিকৃত আন্দোলন হচ্ছে, ভাই। দেশটা বহু কষ্ট গড়া। একটি মন ভাঙা,একটি সংসার ভাঙা, একটি দেশ ভ�
কুসুম্বা দীঘির জল
আজ ১৯ ডিসেম্বর, কুসুম্বার রবিবার। হাটরা গেদির মোড় থেকে সুদূর কুসুম্বা মসজিদ পর্যন্ত পদব্রজে আমার সকালের এই ভ্রমণ। ইচ্ছা আছে হীমালয় পর্বত পর্যন্ত হেঁটে হেঁটে আমার দয়াময় প্রেমময়কে ডাকবো আর প্রাণ জুড়াবো।।পথের কথা আজ পথেই বলি। শীতের পোষাক পরেছে উত্তরী বাতাস। যতই উত্তরে হেঁটে আসছি পা ততই ভারী হচ্ছে ঠান্ডা হাওয়ায়। সাবাই হাটে দুটো ডিমের গরম অমলেট
খেয়ে অন্তরের ভীতরের শীত তাড়ানোর বৃথা চেষ্টা করলাম। সাবাই হাট থেকে সামনে ব্রীজ পর্যন্ত করচা ফলের মত কি এক ফলের গাছ দেখলাম। মন জুড়িয়ে গেল। ফলের ভারে শাখাগুলো নুয়ে আছে ভরা যৌবনা নারীর মত। হলদে ফুলও ফুটে আছে শাখায় শাখায়। গাছগুলো বেশী বড় না। বড় জোর ছ সাত ফিট হবে। আর রাস্তার দু’ধারে দেখলাম হলুদ শর্সে ফুলের ক্ষেত। ক্ষেত তো নয় যেন মধুরসের বৃন্দাবন। বাতাসও তার সুগন্ধে মাতাল। নাকে লাগতেই পথের শীতল ক্লান্তি মধুর উষ্ণ আনন্দ সুন্দর কান্তিতে ভরে উঠল হৃদয়ের দু’ কুল। আপনারা যাঁরা গাড়ীর দরজার হুক এঁটে ভীতরে ঘুমিয়ে পড়েছেন গাড়ীর মবেলপুড়া দুর্গন্ধে তাঁদের জন্য আমার এই আনন্দ নিমন্ত্রণ। প্লিজ, জানালা খুলে প্রকৃতির হাওয়াটা পান করেই একবার দেখুন। আর দেখুন, কত প্রাণের মধুর ঘ্রাণ এখানে মিশে আছে। দেখুন, প্রেমের দেশে এই কঠিন শীতেও নব বসন্তের দক্ষিনা হাওয়ার উদয় হবে। হাওয়া ভবনের চেয়ে অনেক মধুর স্নিগ্ধ এই হলুদ ফুলের সুগন্ধি হাওয়া। দেখলাম,সাবাইহাট থেকে জয় বাংলা পর্যন্ত বড় রাস্তার দুই ধারে শর্সে ক্ষেত আর ক্ষেত।। কত ভ্রমর যে ছোটে এসেছে তার হিসেব কে জানে! আর মধুমক্ষিকার কথা কি আর বলি। হেঁটে হেঁটে চোখে না দেখলে এই রুপের আসল স্বাদ পাওয়া যায় না। গাড়ীতে চড়া খাঁচার পাখিরা কেবল সিনেমার মত ছায়াছবি দেখে মনকে প্রবোধ দেন,মধুরসের সত্যিকার সে স্বাদ পান কি না, জানি না।। জয় বাংলার পর থেকে দেখলাম,বাঁধাকপি ও ফুল কপির ক্ষে
অনুরাগ
কেন তুমি চাও বল
আমার দুখের ভাগ
নিজেই তো তুমি দুখি-
দুঃখ নিলেই কি দুখিরে
কখনো কেউ
করিতে পেরেছে সুখি?
হৃদয় পুড়ানো আগুনকে
তুমি কি দিয়া করিবে ভাগ-
তার চেয়ে ভাল ফুলে ফুলে
ফুটুক তোমার যত
সুগন্ধ অনুরাগ-
কেউ যদি ভুলিয়া আসে
তোমার ফোটা ফুলে-
সে দিন বন্ধু আমারে তুমি
যেয়ো ভুলে-
অর্ধসিন্ধু জলও যদি তুমি নাও
দরিয়া কি শুকাবে সখি?
নিজেই তো তুমি দুখি।
জানতে যদি চাও কি ব্যথা
আমার-
সূর্য কি বলিতে পারে বল
বেদনা তাহার-
মেঘ কি পারে তার আগুন
নিভাতে-
ঢালিয়া সাত সাগর অশ্রু
ভিজায় যদি আঁখি-
নিজেই তো তুমি দুখি।।
খাবি কি ঠান্ডা চা জল হলে
চা ঠান্ডা হলে কি জল খাবি? এ রকম শব্দ এলো কানে। চেয়ে দেখি এক দাদু তার নাতীকে ডাকছে এভাবে।তাও আবার এই শীতসকালের রোদে বড় রাস্তার ধারে এক চায়ের দোনানের সামনে। আমি তো হেঁটে চলা এক লৌহদন্ড মানুষ। কী শীত কী জল কী গরম সবই যেন এক ঠেকে আমার।কোন্ বড় বেদনায় যেন পাষাণ হয়ে গেছি। এই জন্য ভৎসনাও কম শুনি না। আমার পোষাকে আশাকে কত সুউচ্চ মানব সমাজের মাথা লজ্জায় লুটে পড়েছে তার হিসাব এক কথায় আমার বলা দায়। কি করবো বলুন সবার ভাগ্যে তো আর সব সয় না। আমি বেচারা বিশ্রী এক মানুষ।স্বয়ং নিয়তিই করেছে আমাকে এমন। চোখের বালি হলে হয়তো জল দিলেই সহজে উঠে যায়। কিন্তু আমি চোখের ছানি পড়া একেবারে কালো কালি। তাই বটি দিয়ে তুলা দুষ্কর। ধারালো ছুরি কাঁচিই লাগবে এখানে। মানব মস্তিষ্কে তিনটি গ্রন্থি সারা মানবদেহকে নিয়ন্ত্রণ করছে। একে লালন সাঁই তিন তার বলেছেন। আরো বলেছেন তিনি- তিন তারে হচ্ছে খবর। একটি থ্যালামাস দ্বিতীয়টি পিটিউটারী আর তৃতীয়টি হল পাইন্যালকড। এখানে খেলা চলে।আর বাজে এসে বীণার তারে। পরম প্রেমময় আমার সেই সুর বাজান। দিবারাত্রি এ সুর বাজে। কিন্তু হায়! এত বড় বিশাল সম্পদ পেয়েও বিশ্বমানব তাদের যত্ন কেন নিলো না ? তাদেরকে কি প্রাণ ভরে ভালোবাসতে শিখলো মানুষ আজো? একবারও কি ভুলেও তাদের দিকে প্রেমের দু’চোখ তুলে দেখলো তারা?
ভালবাসলো কি ঐ বিপুল শক্তির আধারকে আজ অবধি । কক্ষোনো না। মানুষ আজো জানে না ওরা কি খাই? অনাহারে ওরা কেমন করে বেঁচে আছে?কি ভাষায় তারা কথা বলে? কেমন করে কাছে টানে প্রিয়সীকে? কোথায় দূরে বাঁশি বাজে বনে? মানব মনকে শক্তি দিয়ে যাচ্ছে যারা সে মনেরই তাদের সাথে মিনিমাম কোন পরিচয়ই নাই।আমরা বেচারা বড় বড় মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি।আর নিজেকে থাকি বেমালুম ভুলে। কিসে ওরা খুশী? কিসে ওরা ভাল থাকে? আমরা একটি বার ফিরেও দেখি না। অনেকের মুখে শুনি,আল্লাহকে ভালব�
অনুরাগ
করিতে পেরেছে সুখি?
হৃদয় পুড়ানো আগুনকে
তুমি কি দিয়া করিবে ভাগ-
তার চেয়ে ভাল ফুলে ফুলে
ফুটুক তোমার যত
সুগন্ধ অনুরাগ-
কেউ যদি ভুলিয়া আসে
তোমার ফোটা ফুলে-
সে দিন বন্ধু আমারে তুমি
যেয়ো ভুলে-
অর্ধসিন্ধু জলও যদি তুমি নাও
দরিয়া কি শুকাবে সখি?
নিজেই তো তুমি দুখি।
জানতে যদি চাও কি ব্যথা
আমার-
সূর্য কি বলিতে পারে বল
বেদনা তাহার-
মেঘ কি পারে তার আগুন
নিভাতে-
ঢালিয়া সাত সাগর অশ্রু
ভিজায় যদি আঁখি-
নিজেই তো তুমি দুখি।।
ভাসছে পদ্মার জলে সূর্য
আমি আজ শহরে এলাম।আমার সুহৃদয় বন্ধুরা সবাই জানেন রাজশাহী আসলে রাজভোগেরই শহর। জাতীয় চার মজিব ভক্ত নেতার একজন শহীদ কামারুজ্জামান ভাই।আর বড় কথা এটা হজরত শাহ মুখদম (রঃ) পবিত্র পায়ের ধূলি দিব্য সুপ্রচীন এক শহরতলী।এখানে আসলে এমনিতেই মানব মনে অসীম আনন্দের উদয় হয়। আমারও তাই হল।মহি আর মিহি আমার দুই পুষ্পতুল্য স্নিগ্ধ নাতী। আমাকে ধরে বসলো পদ্মা নদী ধারে যাবে ওরা।আমি বললাম থাক। ওরা বলল না।জেতেই হবে। তোমার সাথে নানু ঘুরতে ইচ্ছে করে।আমি বললাম করবেই তো।কিন্তু তোদের নানীর তো শখ নেই আমাকে নিয়ে ঘুরার। মিহি বলল,আমি পাখি নেব।মহি বলল, আমি বন্দুক নিব। আমি বললাম, আগে চল্ জোর কদমে।হেঁটে হবে আমাদের ভ্রমন যাত্রা। মিহি বলল,ইয়েস নানু, নো ওটো, নো রিকশা।দু’জনকে দু’হাতে ধরে পদব্রজে মর্দ্দ হাটিয়া রওনা দিলাম।শিরোইল বিহারী কলোনি থেকে রেলস্টেশনের ওভার ব্রীজে ওঠলাম। সকালের সূর্য তখন ভাটির কুলে নীলাকাশের ঠোঁটে হেসে উঠেছে। দেখেই মহি আনন্দে নেচে উঠলো।বলল- ওমা কি সুন্দর সূর্য! মিহি বলল, ঐ ট্রেনটাও তো সুন্দর, তাই না নানু? আমি বললাম, যাদের হৃদয় সুন্দর, তাদের চোখে সবই সুন্দর, নানু ভাইয়া। এরপর দেখলাম নিউমার্কেট। মহি বলল, একে কেন নিউমার্কেট ডাকে নানু? আমার তাল তো গোল এখন। এ তো এক ইতিহাস নানু।এখান থেকেই শহীদ কামারুজ্জামানের নেত্তৃ্তে রাজশাহীবাসী বঙ্গবন্ধু নতুন এই বাংলাদেশের স্বাধীনতা উদয়ের খবর পেয়েছিল প্রথম। তাই এই মার্কেটের নাম নিউ মার্কেট। নিউ মানে নতুন।তারপর আমরা হেঁটে হেঁটে পৌঁছে গেলাম সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টের ওপারে।আমি বললাম,নানু এটা সাহেব বাজার বড় মসজিদ। মহি বলল,বাপরে বাপ কত বড় মিনার নানু! আমি বললাম- হ্যাঁ, যাঁরা দয়াময়কে ডাকেন,তাদের হৃদয়ও ঐ মিনারের মত এমন সুবিশাল হয় নানু।নামাজের মাধ্যমে দয়াময়কে ডাকতে হয়।আর দেহের সকল নফ্সের ইচ্ছাকে সর্বশক্�
রাণী
মানুষের ইন্দ্রিয় রাণী যখন সখিদের নিয়ে আনন্দে মাতাল হয়ে উঠে,ঠিক তখনই তার সর্বস্ব লুঠ হয়ে যায়।বিচার কর্তব্যজ্ঞানহীন হয়ে পড়ে তখন সে।ফলে মৃত্যু তার একেরাবে কাছে চলে আসে তাকে খতম করার জন্য কিন্তু তা সে একটুও টের পায় না।এ যেন গভীর নিদ্রার কালো মেঘের মত জ্ঞানসূর্যকে ঢাকিয়া আঁধার নামায় মানুষের জীবনে।দুঃখ, অপমান, কলংক আর মৃত্যুর মত ফলই জন্মে এখানে। ফিরার পথ থাকে না স্বাভাবিক মানবজীবনস্রোতে।সে দিন পৃথিবী শখ করে চা খেতে এলো এক চায়ের দোকানে।খুব স্নেহময়ী বালিকা সে। দোকানির কাছ থেকে আমি তার নাম জানলাম। মেয়েটির নাম পৃথীবী।পৃথিবী দেখলো তার সামনে আরো পাঁচ ছয়টা বাচ্চা বসে আছে। তার খুব দয়া হল। এমনি নারী হৃদয় দয়ায় গড়া।তার উপর ওরা অভূক্ত পথ শিশু। দোকানিকে পাঁচটি সন্দেশ ঐ শিশুগুলোর হাতে দিতে বলে সে। পৃথিবীর খুব আনন্দ হল ওদের মুখের হাসি দেখে। খাওয়া শেষে বিল দিতে গিয়ে দেখলো পার্সে পৃথীবীর একটি টাকাও নাই। মনে হল টাকা বাসায় পড়ার টেবিলে রেখে এসেছে। তার এত বড় আনন্দ মুহূর্তটি অতি বড় বেদনায় পরিণত হল এত তাড়াতাড়ি। সে দোকানিকে টাকা ছেড়ে আসার বিষয়টি খুলে বলল।কিন্তু দোকানি বাকী দিতে নারাজ।সাফ কথা বাকী শোধ করে বাবা তুমি যাও। নিজের খাবার টাকা নাই সে নাকি দিচ্ছে হরিকির্তনের মহাযজ্ঞ নিমন্ত্রণ। পৃথীবী এখন মহা লজ্জিত। মাথা তার কাটা যাচ্ছে নিজের প্রতি নিজের ভীষণ ঘৃণা আর অপমান বোধ হচ্ছে। দোকানি বলল,দেখো মেয়ে- তুমি বাসায় যাবে কিন্তু ফিরবে কি ফিরবে না, তা কে জানে? তোমাকে তো আমি চিনি না। আবার, তুমি এলেই বা কিন্তু ঐ টাকা দিয়ে আমি কি করবো ? এখন টাকা দিলে আমি দুধ কিনতাম, চা কিনতাম। কে নিবে এই ক্ষতির দায়?? মেয়েটির চোখ ভরে গেলো জলে। আমি দোকানীকে বললাম মেয়েটির সব বিল আমি দিয়ে দিবো। ওকে ছেড়ে দিন। আর মেয়েটির জল ছলছল চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম, মা আখেয়াতও এমন কঠিন। এখানে আজ বাসায় গিয়ে ত�
পথের ভালোবাসা
কুয়াসায় ভিজা আজ সকালের স্নিগ্ধ শরীর।মাঠে ভিজা মাঠের ফসল; বাগানের ফুল; পথের ধূলো, এই সবই।ভোরের আলোর উষ্ণ চুম্বনে ঘাসের ডগার শিশির গুলোও যেন মুক্তার মত ঝলমল করছে। যেদিকেই তাকায় প্রকৃতি যেন কি এক অপরুপ রুপের লাবন্যে ভরে দিচ্ছে আমার দু’চোখ। সকালে হাঁটতে গিয়ে প্রকৃতির এমন সতেজ রমণীয় রুপের সাক্ষাত দর্শন সত্যিই আমার মত কপাল পোড়ার এক সৌভাগের ব্যপার। দূর থেকে গান গায়তে গায়তে ভেসে আসছে কত রকম পাখি আমি তাদের নামও জানি না। মৌমাছিরা শিশির ভিজা ফুলে বসে করছে মধু পান।যেন তর সইছেনা এতটুকু।শুনেছি, মানব প্রেমিক প্রেমিকারা নাকি এমনি ব্যকুল হয় প্রেমময়ের গভীর প্রেমে।কোথাও মন ভরে না ওদের ফুলের এই অমীয় সূধা পান না করা পর্যন্ত।মৃত্যুর বেদনা ওদের হীরকময় হৃদয়কে স্পর্স করতে পারে না। আমার ভাগ্যে আর হল কই এমন এক মহাপ্রেমিক হওয়া!তাই আমি রোজ হেঁটে হেঁটে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটায়। সাত সকালে কিছু মানুষকে দেখেছি তারা কোদাল হাতে ফসলের মাঠের দিকে ছুটে যেতে। কিছু লোককে দেখেছি মাটির ডাবর ও বাসনপত্র ভ্যান যোগে হাটের দিকে ছুটে যেতে। দেখেছি ফুলকপির পাতা কেটে সতেজ সাদা সাদা টাটকা ফুলকপিগুলো নেটের বস্তায় ভরতে। জীবনের রং যে এত মধুর হয় পথের পথিক না হলে বোঝা যায় না।এভাবেই আমার চরণ তোমার পথের ধূলিতে আমাকে তোমাকে পাওয়ার ভালোবাসা শেখায়।
স্বর্ণ শিশির
প্রকৃতির যুগল উন্নত বুক কি আর ফিনফিনে কুয়াসায় ঢাকে! কার বা সাধ্য আছে এ রুপ ঢেকে রাখার।ফুল ফুটেছে এত বেশী ফসলের মাঠে আজ। এত শীতেও পাখিরা তবু ধরেছে গান গলা ছেড়ে।শিশির মাড়িয়ে রাঙা পায়ে- ছুটে চলেছে দলবেঁধে, কি মধুর গান গেয়ে গেয়ে যেন ওদের জীবনে কোন বেদনাবোধ নেই ।নেই কোন রোগ শোক,নেই কাউকে হারানোর হৃদয় পোড়া আগুন জ্বালা। ঠোঁটে শুধু হাসি আর গানই লেগে আছে যেন সারাক্ষণ।আশ্চর্য ওদের এই জীবন জগত। হয়তো আছে; হয়ত নেই কিন্তু মানব মন তা জানে না আজো ।ওদের বুকের বেদনা হয়তো চোখের জলে ভাসে না।সে ভাষার রুপ কেবল তারাই জানে।মানুষের সেই বোধদৃষ্টির উদয় হয়তো এখনো হয়নিতাদের অন্তরলোকে। তাই সকালে পাখির গানে আমাদের ঘুম ভাঙে; কান্নায় নয়।ফুলকে আমরা হাসতেই দেখি। তার ফুল ফুটাবার লুকানো গভীর বেদনাকে কি কেউ দেখে কোনদিন? ভাবে সে বোধ সে ফুল আর পাবে কোথায়? তার তো চোখ নেই।কেমন করে সে তার বুকের কথা কবে ? এই সব ভাবতে গিয়ে হাঁটতে এসে আমার বুকের তলে কোন্ এক বেদনার যেন শিশির জমে উঠলো।ভোরের সূর্য ফুটলো ভোরে; দুপুর গিয়ে বিকেল এলো ; আমার বুকের জমাট শিশির ঝরলো না।ঝড়ে কত ঝরলো পাতা; আমার প্রেমের সে স্বর্ণ শিশির ঝরিয়া খসে পড়লো না।
সর্ব সুকর্মপ্রীতি
কানার হাতে দুড়্যাল দিলে কচু বন যে হয় কচুকাটা।চেতনাহীন মানুষের হাতে গণতন্ত্রও হয় তেমন তুলোধোনা কচুকাটা। যে দলের প্রধান নায়কই যখন ভিলেনের মত পালাতক,সে-ই তারেক জিয়ার দল বি,এন, পি'র আজ আকাশকুসুম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতারণামূলক ভাবনা। মারহাবা!শুনতেও হাসি পায়।।যে প্রকৃত সাহসী বীর, সে মৃত্যকেও টলারেট করে না।সে পালায় না, লড়ে। সে হয় সত্যনিষ্ঠ। মৃত্যুর চেয়েও স্নিগ্ধ কঠিন হীরকময় তার হৃদয়।বিদেশে বসে হাওয়াভবনের রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ আর চাই না, ভাই। তার চেয়ে নরক ভাল।ইউ, পি নির্বাচনেও আমরা অনেক লোভাতুর মনের চিত্তবিভ্রাট দেখেছি। দেখেছি, সরকার বিরোধী আস্ফালন বিস্ফারণও। আমরা হুজুগে বাঙালী নয়,আমরা বীর বাঙালি। আমরা পালাতক নই,আমরা মৃত্যু দিয়ে মুক্ত স্বাধীন সূর্য লুট করে আনি।আমরা দেশের জন্য বেঁচি,আবার দেশের মানুষের মুক্তির জন্য মরি।আমরা মনবতার এখানে ফুল ফুটাতে এসেছি, আর এই মনবতার জন্যই বাঁচি। আল্লাহ আমাদের অভিবাবক। আল্লাহই আমাদের পরম বন্ধু। বিশ্ববাসী আমাদের সহকর্মী। সর্বদ্রষ্টার সর্বশক্তিই হোক আমাদের সর্বআরাধ্য সর্ব সুকর্মপ্রীতির মধুর সুর।
দৃশ্য ও অদৃশ্যে মালিক
যে কোন সামাজিক সংগঠন ফুটবল খেলার মত। হোক সে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অথবা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। এখানে যেমন লাগে বুদ্ধির ক্ষিপ্রতা তেমন লাগে বাতাসের গতি ঠেলে বলকে নন্দিতভাবে কিকের পর কিক মারে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। প্রতিপক্ষ বুঝতেই পারে না কত দূত কোন পায়ের কিক কোন পায়ে মেরে সে অপ্রতিরোধ্য হলো। প্রধান নেত্রী থেকে তৃনমূল পর্যন্ত বল পাসিংয়ে যেন কোথাও কোন ভুল না হয়। আবার ভুল না হোক, বাস্তব কঠিন চর্চিত শরীর মস্তিষ্ক থাকা তো চাই -ই চাই।প্রতিপক্ষ বুঝে উঠার আগেই অবলীলায় গোলপোষ্টে গোল ঢুকে চুম্বকের মত জালে আটকে সে বল যেন লটকে পড়ে। গ্যলারী যেন মহাগর্জনে গর্জে ওঠে গোল গোল করে। নেতা শামীম ওসমান বলেছেন আমাদের নেত্রী নীল কন্ঠি তাই আমিও নীলকণ্ঠ। অথচ আয়ভীকে বলছেন গড মাদার আবার আয়ভীও শামীম ওসমানকে বলছেন গড ফাদার। এ কী ভাই? এ কোন আত্নঘাতী খেলার ধরণ? যাদের আত্নসম্মান জ্ঞান নাই তারা কিভাবে নেতা হন আমাদের তো বোধে আসে না। যাদের অহংকারই যায় নি, তারা কি দিয়ে মানুষকে ভালবাসবে আমাদের ভাবতেও কষ্ট লাগে। এভাবে একজন আরেক জনকে আঘাত না করে কি কথা বলার কোন পথই খোলা ছিল না? এত নোংরা হৃদয়ের দুর্গন্ধে আমরাদের মত গোবেচারা তৃনমূলের নেতাদের
আজ পেট ফুলে ভেদবমির উপক্রম হয়েছে। সাধারণ মানুষের কি হয়েছে জানি না। এদের নীলকণ্ঠ হওয়ার চেয়ে বিষ পান করে মরাই অনেক শ্রেয়। এটা দলেরও লজ্জা। দেশেরও লজ্জা। এগুলো বুদ্ধি বিভ্রাট পাষাণ হৃদয় মানুষ। এর চেয়ে চিড়িয়াখানার গোখরো সাপ অনেক ভাল। এরা দুধ খেলেও বাইরে এসে চোট মারার সাহস পায় না।লোহার নেটে কামড় দিলে দাঁত ভাঙার ভয় থাকে। এই সব নেতাদের তাও নাই। পরিণামে এই সব নেতাদের ভাগ্যে কি আছে দৃশ্য ও অদৃশ্যলোকের মালিক তুমিই ভাল জানো, দয়াময়।
রাজহংসের ডিম
রাজহংসের ডিম আমার প্রিয় খাবার। বিল ঝিলের কাদাজলে এদের বাস। এই ডিমে খাদ্যগুন সত্যিকার অর্থেই অনেক অনেক বেশী। এরা জলে স্হলে উভয়েরই বুকের চঞ্চূচারণ প্রাণী। দুধের সাথে জল মিশালে একমাত্র রাজহংসই কিন্তু দুধকেই জল থেকে বেছে নিয়ে খেতে পারে। প্রাণীজগতে কেন মানুষও রাজহংসের মত এত চমৎকার কৌশল আজো জানে না। সাবাইহাটে মাছ বাজারে এক লোক আমাকে দশটি রাজহংসের ডিম দিতে চেয়েছিল আজ। খুব এই শীতের ভোরে আঁধারের বাদল নামালো নিদারুণ কুয়াশা পড়ছে চারিদিকে।ডিমের আশায় এক ভ্যানে চেপে দারুন কুয়াশা ঠেলেই মাছ বাজারে পৌঁছলাম।হাঁটা আজ আর হলো না আমার। সময় ভোর সাতটার মত হবে। ডিম সরবারহকারী লোকটির যেখানে থাকার কথা সেখানে তাকে দেখতে না পেয়ে আমি ভাবলাম নিশ্চয় সে আমাকে ফাঁকি দিয়েছে। যেমন ভাবা ওমনি এক বিকট আওয়াজে একটি বাস ও একটি মাইক্রোর সংঘর্ষ। মাইক্রোর জানালার পুরো কাঁচ ভেঙে এসে রাস্তার মাঝখানে এসে পড়লো। মাছবাজারের পানির স্রোত ঐ রাস্তার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বর্ষার জলের মত । কেউ দেখার নেই। ফলে মাটির নীচের গ্যাস আর উপরের কুয়াশা সেখানে গভীর আঁধারের সৃষ্টি হয়েছে এখানে। মোটর সাইকেল আরোহীরা ঐ কাঁচের উপর আসছে আর পিছলে পড়ে রক্তাত হচ্ছে। তার উপর অটো,তার উপর পড়ছে কত কি ঐ কুয়াসার আঁধারে পাকা রাস্তায়।দয়াময়ের কৌশল বুঝে পৃথিবীতে এমন দ্বিতীয়টি কেউ নেই।কুয়াসা সকালে এই দৃশ্য যারা দেখলো, তাদের হৃদয় কাঁপলো আর চোখ কাঁদলো।আমি না পেলাম লোকটির দেখা,না পেলাম রাজহংসের ডিম।
দেশপ্রেম
ফুটবলের নিজের কোন ভাষা নাই। কিন্তু খেলার মাঠে নিজেই নীরবে আপন কর্ম দিয়ে সে মানুষেকে বেদনায় কাঁদায়, আনন্দে উল্লাসে হাসায়, কথা খই ফোটায়, মৃত মনকে উত্তাপে উত্তেজিত করে একেবারে জীবন্ত করে ফেলে। বল থাকে পায়ে। অথচ গ্যালারী করে সরবে গমগম।গর্জে উঠে বারবার।এক পক্ষ বল পেলে অন্য পক্ষ কেবল দৌড়েই হয় ক্লান্ত। যদি বল কৌশলে কেড়ে নিতে পারে, তো ভালই।কিন্তু কখনো এ হয়,আবার কখনো এ হয় না। কারণ নিয়মের শিকলে সব বাঁধা থাকে। কিন্তু যে ভাল খেলোয়াড়, সে হয় নিয়ম নির্মাতা। সে হয় নিয়মের নিয়ম। তাই গ্যালারী ফাটে হর্ষ ধ্বনিতে। বোবা বল নিঃশব্দে ডুকে যায় গোলে। একই টিমের এক খেলোয়াড়ের সাথে আরেক খেলোয়াড়ের হয়তো বাস্তব জীবনে পরিচয়ই নাই, কিন্তুু পায়ের বলের সাথে আছে কী দারুণ সখ্যতা! দেখো, একের বল অন্যের কাছে কেমন নিঃশর্তে আত্নবলি দিচ্ছে তারা। কী দারুণ ভালবাসার ছন্দ!ঢেউয়ের মত ভাসছে বল প্রেমের সাগরে যেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এ-ই হওয়া উচিৎ। হোক সে রাজনৈতিক অঙ্গন, অথবা সামাজিক সংগঠন।একটি সুন্দর দেশ নির্মাণের জন্য এই স্নিগ্ধ প্রেমই দয়াময় চান।তাই এই প্রেমর নামই ভালবাসা, আর এই ভালবাসার নামই দেশপ্রেম।
অহংকার
আলুর গুদাম এখন প্রতারনার এক বড় ফাঁদ।মালিক পক্ষ এক শ্রেনীর খুশীমত দালাল সেট করছেন বড় অংকের টাকা ডাবল লাভ পাওয়ার লগ্নি দিয়ে। টিকিট দিয়েও আলু ফেরৎ পায় না কৃষক। মালিক বলে একাউন্ট তো এজেন্টের নামে।এজেন্ট হোল্ডারের সামনেই সে অসহায় কৃষকে বলে আপনাকে আমরা চিনি না।টাকার অহংকারে তখন এজেন্টও হাসে,মালিকও হাসে।আমরা সাধারণ গরিব কৃষক অত সব টাকা ধরা ফাঁদ কি আর চিনি? পেটের দায়ে আলু রাখি স্টোরে।এটা ঠিক বি, এন,পি-র নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার মত।মুখে বলছে নির্বাচনে যাবো না,অথচ গোপনে ঠিকই প্রার্থী সেট করছে।আবার দুই একটা বিজয়ীদের নিয়ে রাজপথে মহাউল্লাসও করছে।আর বলছে আমরা গনতন্ত্রের আবির ছড়াচ্ছি।কিন্তু হায়! প্রকারন্তে দেখো এত হাড়ভাংগা পরিশ্রমের পর যে যৎসামান্য মাঠে আলু উৎপাদন করছি, স্টোর মালিকরা এজেন্ট/ দালালদের মাধ্যমে ঠান্ডা ঘরে বসে ঠান্ডা নিঠুর হৃদয়ে যখন লোনের টাকার পরিবর্তে দালাল তথা এজেন্টদের হিসাব থেকে কুটকৌশলে সব আলু কেটে নিচ্ছে,তখন আমাদের মত প্রান্তিক চাষীদের সব আলু হারিয়ে পথে বসা ছাড়া আর কি বাকী থাকে, ভাই? ইদানিং প্রতারকেরাই সগৌরবে প্রসংশিত হচ্ছে, দয়াময়। কেউ ভালোর আশায় কোথাও প্রতারকের হাতে ঠকে গেলে এক শ্রেনীর মানুষের মুখে হাসির কেমন খই ফুটে উঠছে বীনা আগুনে আজকাল।ছিঃ ছিঃ! এ যে কত বড় লজ্জা মানবতার, তা মানুষ কেমন করে দিব্বি ভুলে যাচ্ছে। পরকে ঠকানোর জন্যই কি দয়াময় মানুষকে তার এই মহা ইন্দ্রয়শক্তি দান করেছেন? তাও যদি এই মানুষ অমর হতো,সে কথা না হয় সওয়া যেতো। সে তো আদৌ জানে না মৃত্য তাকে কখন খতম করবে তার অদৃশ্য শক্তির ভয়ংকর আঘাতে? এই দুর্গন্ধযুক্ত নোংরা হৃদয় নিয়ে কি করে পরম পবিত্র মহিমায় দয়াময়ের সামনে তারা দাঁড়াবে? ভাবতেই যেন হৃদয় আঁতকে উঠে এক মহাভূমিকম্পে, প্রেমময়। যার পায়ে নিঃষ্পাপ ফেরেস্তারা চুমু খায়, সেই আদমসন্তানেরা এত নীচে নামে কী করে,ক�
কে আসে ঐ
কে আসে ঐ
রাঙি অথৈই
আঁধার মনোবন-
ফোটায় মুকুল
খুশীর বকুল-
প্রাণের টানে
প্রাণ।
কে আসে ঐ
কে আসে ঐ
আঁধার ঠেলে ঠেলে
অশ্রু পাথর ভেঙে ভেঙে
চিত্তলোকে নামে।
তৃষ্ণার জল
বুক ভরে পান করে তৃষ্ণার জল -
নিয়ে তুলে ক্ষুধাতুর সুমিষ্ট সে
ফল -
পেয়ে রৌদ্র দগ্ধ হৃদয়ে
এত সবুজ বৃক্ষের ছায়া-
জড়ায় তোমার নগ্নদেহ
কত স্নিগ্ধ পোষাক দিয়া-
তবু কি করে নিঠুর পাষাণ প্রিয়া
ভুলিলে আমায় তুমি?
কেন মেলিলে দুচোখ তোমার
মরিচিকা পানে-
জল ভেবে মরুর বিষাদ
কেন বুকে নিলে টেনে-
দু’হাত ভরে ফুল তোমারে
দিতে এসে-
ফিরে সে কেন গেল
অশ্রুজলে ভেসে?
চাইনি সে কোন কিছু তোমার
কাছে-
কি করে এ প্রেম তুমি ভাবিলে
মিছে?
কোন ব্যথা ছোঁতে যেন না পারে
তোমায়-
সে ব্যথায় শুধু কাঁদি একা
বৃথা আশায়।
আগুন নিভে গেলে
আগুন একেবারে
নিভে গেলে
আর জ্বলে না-
কাটা শস্য একেবারে
মরে গেলে
আর সবুজ হয় না-
তুমি কি আলো দিয়ে
চূর্ণ করেছো সে আঁধার
প্রিয়তম আমার?
যে জলে তোমার
প্রাণ প্রবাহ-
সে জল কে শুকায়
আবার
প্রিয়তম আমার?
যারা চলে যায়
তারা কি আর
ফিরে চাই?
যে আসে সেই চলে
যায়-
এই ভেবে শুধু বেদনা
পাই।
এ কী খেলা-
এই খেলা
কেবল তুমিই জানো
প্রেমময়!
অদৃশ্যের কুণ্জি
আমার সকল প্রশ্ন হইবে শেষ
আমিও হবো শেষ-
সকল মানব হইবে শেষ
তবুও পবিত্র তোমার গুণের কথা
হইবে নাকো শেষ ।
সাগরের জল হইবে শেষ
আবার হবে আরো সাগর
মহাসাগর অশেষ -
সব জল তাদের হইবে শেষ
তবু তোমার প্রেমের কথা
হইবে নাকো শেষ,দয়াময়।
প্রথম মানব জন্ম দিতে
তোমার মাকেও লাগে না।
ঈসা নবীর জন্ম দিতে
তোমার পুরুষ লাগে না।
অদৃশ্যের কুণ্জি তোমার
কেউ খুঁজে না পায়-
সকল শক্তির মন মহাশয়
আমার প্রেমময়।
সয়ং ফেরেস্তাগণ নবী রাসূল
ডরায় তোমার ভয়ে-
শাস্তি দিয়ে ধরছো মানুষ
নীরব মৃত্যুপক্ষ ঘায়ে।
তুমি অভাব মুক্ত
এই বিশ্বজগত
অভাবী দয়াল-
তুমি অভাব মুক্ত
মানুষ নিজেকে
নিজে আঘাত করে
বলে খাঁটি ভক্ত।
মিথ্যা বলেও নিজেকে
ভাবে পরম সত্যবাদী-
সত্যের রশি কাটিয়া
তারা সাজে প্রতিবাদী।
দিনের বেলা দিক ভুলিয়া
পথ খুঁজে না পায়-
নিজের ফাঁদে নিজে পড়িয়া
করে হায়রে হায়।
রুহু জগত
ধর্য্য কি আর
ধরতে পারবে তুমি-
যে সত্যকে
জানো নাকো আদৌ?
চিনবে কি সেই
রুহু জগত
মৃত্য পরোজীবনসৌধ?
তাই তো তুমি
নিঠুর পাষাণ
চিনো না স্রষ্টারে-
আল্লাকে ফেলে
নিজেকে দেখাও
অহমিকা পোস্টারে।
আল্লাহ জানেন
তুমি জ্ঞানহীন
তাঁর সকল সৃষ্টিই
পরামর্শ বিহীন।
আল্লাহ জানেন
তুমি জ্ঞান বিভ্রান্ত
হৃদয়ভরা কুচক্রান্ত
তাই তো ডাকেননি
বেসবুর সভাসদগণদ্বয়ে-
পবিত্র রুহানি জ্ঞানের
আলোকে গড়িলেন এই
সপ্ত দৃপ্ত মহাকাশ পৃথিবী।
আল্লাহ জানেন
তুমি অহংকারী
তোমার স্বরুপ
মিথ্যা।তোমার
আবির ছলনা।
দুধে ভাতে
কেন ভয় করবা না
আল্লাকে-
সে ছাড়া যে রইবে না
কেউ সাথে!
স্নায়ু অচল হলে টাকা
কেমনে ধরবা হাতে?
সে মা বাবাও চিনবে না
ভাই যারা খাওয়ায়
দুধে ভাতে?
সে দিন নেশা ছাড়ায়
হবে মাতাল
চোখে দেখবে আঁধার
চোখ ভরা জল-
সেদিন মোহ তোমার
হবে বিদায়-
আপন দেহ ঘোর শত্রু হবে
হবে অতি নিঠুর নির্দয়-
দোষ দিবে তুমি কারে?
বন্ধু স্বজন শ্রী পুত্র সেদিন
না আসবে কোন উপকারে।
ফিরবে কোথায়?
তুমি পথ ভ্রান্ত হায়-
কেবল দেখবে দূরে দোজখ
আগুন-
আসছে ধেয়ে লুটতে জীবন।
এটাই তোমার শেষ ফলাফল
সে লোভে রক্ত করেছো জল।
প্রতিশ্রুতি
একদিন এক দরবেশ
আমাকে বলল-
দেখো মানুষের শরীরের কোন কিছুই সে তৈরী করেনি।পুরোটাই মহান আল্লাহর দয়ার দান। তবু সে ভীষণ অকৃতজ্ঞ।
আমি বল্লাম তা কি কখনো হয়?সে বলল,
এই চশমা পরে দেখো।
আমি তার চশমা পরে দেখিলাম-
এ কী! সত্যি সত্যি হায়!
যখন আমি সেই চশমা পরে বাইরে তাকালাম,কতিপয় মানুষ ছাড়া প্রায় সবাই আমাকে ত্যাগ করল।প্রকৃত কারণ ঠিক তখন বুঝলাম, যখন আল্লাহ স্বয়ং বলেন আমার প্রতিশ্রুতি কখনো মিথ্যা হয় না।হলোও ঠিক তাই।
পৃথিবী
নাটক : পৃথিবী
চরিত্র
নায়িকা - পৃথিবী
নায়ক- আকাশ
নায়িকার বাবা- যোয়াদ্দার মোড়ল
ভিলেন- চেন্টু
গ্রামবাসী-ভোলা
(আকাশ ও পৃথিবী দুজন এক গ্রামের কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী। এক সাথেই কলেজে যায়।সময় প্রায় আটা নটা হবে।হেঁটেই যাচ্ছে তারা।পরনে কলেজ ড্রেস।ভাব হাসোজ্জল।)
আকাশ: জানো পৃথিবী,তোমাকে দেখলে কেমন যেন হয় আমার।
পৃথিবী: খুলে বলো।নইলে বুঝি কেমনে?
আকাশ: আকাশে বিদুৎ চমকালে যেমন হয় ঠিক তেমন।
পৃথিবী: সে কী, আকাশ! তাহলে আমি একাই যাবো।
আকাশ: তাহলে তো বুকে ভীতর জ্বালা আমার বাড়ে আরো।আচ্ছা পৃথিবী তখন আমার বুক জ্বলে কেন?
পৃথিবী : হয়তো তুমি বেশী ঝাল দিয়া আলু ভর্তা খাও।
আকাশ: নাহ! আলুভর্তা আমার দুচোখের বিষ।
পৃথিবী: তাহলে পেটে তোমার গ্যাস্ট্রিক আলচার আছে হয়তো। তুমি ভাল ডাক্তার দেখাও।
আকাশ: আধাসিদ্ধ মাংসও আমার জলের মত হজম হয়, জানো।
পৃথিবী: তবে কি করোনা ভায়রাসের জীবানু তোমার
বুকে ঢুকে গেল নাকি?
আকাশ: এটা গলায় ঢুকলে নাকি কাশি হয় আর নাক দিয়ে প্রচুর সর্দি ঝরে।দুই ডোজ টিকা নেওয়া টনটনে
বডি আমার।দুর! ঐসব না।তোমাকে দেখলেই আমার এমনটি হচ্ছে ইদানিং।
পৃথিবী: তাহলে আমিই কি তোমার কনোনা ভায়রাস?
আকাশ: আরে না! তোমাকে আমার জোয়ারের জলের মত সুন্দর লাগে।
পৃথিবী: তুমি কি সাগর দেখেছো, আকাশ?
আকাশ: না। বইয়ে পড়েছি।
পৃথিবী : না দেখে কিছু বিশ্বাস করতে নেই।তাই তোমার বুক জ্বালা করে।
আকাশ: হতেও পারে। আসার সময়ও এক সাথে আসবো আমরা,ঠিক আছে?
পৃথিবী : না। তোমার বুকে যদি কিছু হয়?
আকাশ: দেখা যাক! নাও তো হতে পারে। বাই
পৃথিবী: বাই।
দ্বিতীয় দৃশ্য:
(গ্রামের চায়ের স্টল।সময় বিকেল চার পাঁচটা নাগাদ।
পৃথিবীর বাবা যোয়াদ্দার মোড়ল ও গ্রামবাসী ভোলা ও চেন্টু আড্ডা দিচ্ছে আর চা খাচ্ছে। যোয়াদ্দার মোড়লকে শুনিয়ে শুনিয়ে ভোলা চেন্টুকে বলছে)
ভোলা: শুনেছিস চেন্টু নতুন খবর?
চেন্টু : না তো ভোলা।
ভোলা: কলেজে আজকাল আর লেখাপড়া হয় না।
চেন্টু: হব�
শিক্ষার মান
শিক্ষার মান আসলে কিসে বাড়ে সরকারীকরণে না বেসরকারীকরণে? যদি সরকারীকরণে না-ই বাড়ে তাহলে দেশের সকল সরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাকে বেসরকাসরীকরণ করাই তো অনেক শ্রেয়।সরকারী বলতে কোন প্রতিষ্ঠানই দেশে থাকা উচিত নয়। কিছু কিছু নয়া সরকারী কলেজের শিক্ষক মহোদয়দের তাদের কলেজ সরকারী হওয়ার দরুণ অনেক অহং বক্তব্য বেসরকারী কলেজের শিক্ষকদের প্রতি কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মত সগৌরবে বর্ষণ করা করছেন তারা ইদানিং।অথচ তারাও বেসরকারী কলেজের বেসরকারী শিক্ষক ছিল।এই সব তথা কথিত সরকারী শিক্ষকদের হীনমন্নতা জাতী সইবে আর কত দিন? অথচ তাদের গা থেকে এখনো বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উৎকট দূর্গন্ধই কাটেনি।
প্রতিটি ছাত্রছাত্রীই চাই সে যেন সরকারী কলেজের সার্টিফিকেট পায়। এটা কেন? উত্তর দিন সদয় মহোদয়েরা? আমরা কি এতই উন্মত্ত পাগল যে এই প্রতারণার মানে বুঝি না।আমাদের প্রাণের নেতা বঙ্গবন্ধু এত পাষাণ ছিলেন না। আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনাও এমন নয়। কিন্তু কিছু নয়া সরকারী শিক্ষক মহোদয়েরা কি করে বেসরকারী শিক্ষকদের হেয় জ্ঞান করার এত দুঃসাহস পাচ্ছেন, জানি না।দুঃখ লাগে একই বই,একই সিলেবাস, একই পরীক্ষা, একই বোর্ড, অথচ কেউ সরকারী,কেউ বেসরকারী। এই জন্য কি দেশের মানুষ রক্ত দিয়েছিল?
এই জন্যই কি স্বাধীনতা? এম পি /মন্ত্রী হলে কি মানুষ এভাবেই বিচার জ্ঞানও ভুলে যায়, দয়াময়? কি করে শিক্ষার মান বাড়বে তাও যদি তাঁরা বেমালুম ভুলে যান,তাহলে এই লজ্জা জাতী ঢাকবে কি দিয়ে?কত বিলিয়ন টাকা লাগবে দেশের সকল শিক্ষ প্রতিষ্ঠান এক সংগে সরকারীকরণ করতে? এই টাকা কি বাংলাদেশের আসলে নাই? আমরা এই সত্য জানবো কবে?
মহাসাফল্য
মহাসাফল্য থাকে
সৎকাজে মিশে-
তাই পাবি মন
আখিরাত দিবসে।
অহং বিষের কামড়
খেয়ে-
বৃথা মরিস কেন
হায়হুতাশে?
সৎ কর্মের ফল
দিবেন দয়াল
স্নিদ্ধ হবে দগ্ধ
হৃদয়-
কর্ম ফলের দিবস
এলে-
সয়ং খোদার জ্যোতি
উঠবে জ্বলে-
তখন সব বেদনা যাবি ভুলে
দেখবি আঁখির কূলে কূলে
কত খুশির জোয়ার উঠে
দুলে!
সত্য কি মিথ্যা হয়?
সত্য তো মিথ্যা নয়। চাঁদ তো সূর্য নয়। তাহলে খোদার আসন আরশ ছেদিয়া কি করে মানুষ উঠতে পারে,দয়াময়? আমি জ্ঞানের কাঙাল। একজন জাতীয় কবির বিদ্রোহ কবিতা ব্যাখ্যা করার মত সেই মহাজ্ঞানও আমার নাই,যোগ্যতাও নাই । হয়তো আমি কবি হলে এ কথা বলাটা মানান সই হতো। কিন্তু আমি কিছুতেই বুঝতে পারি না উৎপীড়িতদের ক্রন্দন রোল তো তাদেরই বিভ্রান্তির ফল।নয় তো তা দয়াময়ের পরীক্ষা। মানুষ তো এটা রোধ করার ধৃষ্ঠতা রাখে না।এটা রোধ করতে কেবল দয়াময় আল্লাহই পারেন। মম ললাটে রুদ্র ভগবান কি করে জ্বলে? রুদ্র মানে ভীষণ রাগী।আর রাগের ভগবানের কাছে কি করে মহাসৌন্দর্যের দেবীর আবির্ভাব হয়?কৃপাময়ী হলে হতেও পারেন কিন্তু আমার বোধে কেন যে তা আসে না,জানি না। হয়তো বাংলা সাহিত্য যাঁরা খুব ভাল জ্যাঁরেল মহোদয় সভাসদগন, তাঁরাই কেবল এই কবিতার স্নিগ্ধ অর্থ আবশ্যই খুঁজে পেয়েছেন।আমার মত স্হল বোধ গোবেচারা মানুষের জন্য ইহার জান্নাতি সুধা পান করতে না পারার বেদনাটুকু কেবল আমারই বিশ্রীহৃদয় দগ্ধ করুক। ইহার চেয়ে আর বড় কি - ই বা চাওয়ার আছে এই ক্ষুদ্র নগন্য আমার।
সবই মন পাই যা চাই
মন যা চাই
তার সবই সে পাই-
যদি সে চিনে তারে
যে থাকে অন্তরালে।
মন যা চাই
তার সবই সে পাই-
যদি অচেনারে চিনে
নাচে সে অশুনা বীণে-
সে সুর ক’জনে শুনে?
মন যা চাই
তার সবই মন পাই-
যদি অকথাকে সে ধরে
নির্ধনে সে দরজা খুলে।
সেথায় অমূল্যও মূল্য পায়
আঁধারে আলো কথা কয়-
মন যার সেথায় তারই হয়
আজব সুন্দর সেই লোকালয়-
মন যা চাই
তার সবই মন পাই-
যদি সে চিনে তারে
যে থাকে অন্তরালে।
আগে ঘাটি,পরে গান
আগে ঘাঁটি পরে গান।জনৈক এক পথে ধারে বসে এক ভাজা বাদম বিক্রিতা বলেছিলেন। দোকান বলতে সেখানে ছিল পান, বাদাম আর কম দামী সিগারেট ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ধোঁয়াউঠা সোনার আগুনে টানা হৃদয় পুড়ানো সস্তা বিড়ি। একেবারে সবজি বাজারের সম্মুখেই তার দোকান।দোকান তো নয়, এক কোম্পানির প্রচার ও প্রসারের সুবাদে দেওয়া এক পুরোনো বড় ছাতার তলায় এক ভাঙা চেয়ার ও একটি নড়বড়ে দাঁতের মত চার পায়ে কোন মতে দাঁড়িয়ে থাকা জং ধরা টেবিলে পলিথিন বিছিয়ে তার উপর চিবন সেবনের দ্রব্যগুলো সাজিয়ে দিনভর চলে তার খোলা মাঠে খোলা এই দোকান। যারা বড় মাপের মানুষ তারা সবজি বা মাছতরকারি কেনা বেঁচা করে তার কাছে এক রসের পান কিনে মুখে দিয়ে চিবুনির সুখ ভক্ষণ করেন।আর আমাদের মত যারা হতছাড়া তারা দশ / বিশ টাকার বাদাম কিনেন। আর যারা নিরেট খেটে খাওয়া মানুষ তারা কিনেন বিড়ি। দোকানির মুখভরা দাড়ি। পেকে সেগুলো একদম সিলভারের হাঁড়ির মত সাদা হয়ে গেছে। হাতের স্পর্শই ওখানে বেশী মানায়, হৃদয়ের স্পর্শ নয়। এক ভ্যানওয়ালা একটি সিগারেট নিয়ে তার নিম্ন ভাগে ফুঁ দিয়ে অগ্রভাগে আগুন দিতে দিতে বলল, চাচা, দাড়িতে কলপ মারেন। হাই স্মাট লাগবে। চাচা বলল, সে বয়স কি আছে ব্যাটা।তাছাড়া সেই সময় কই আমার। সে বলল,চাচা,এতে আপনার মহিলা কাস্টোমার বাড়বে। এটা কিভাবে হয় রে বাপ?সে বলল, মহিলারা স্মার্ট লোকের হাতে পান খাওয়া ভালোবাসে।চাচা বলল, জানি,কিন্তু ওরা পান খায়,দাম দেয় না।আর দাম না দিলে আনন্দে গান গামু কেমনে?সে বলল, এ কি শুনালেন, চাচা! চাচা বলল, এত দিন দোকানদারি করে এটাই শিখেছি আমি।সে বলল, সেটা কি চাচা? চাচা হেসে বলল, আগে ঘাটি, পরে গান। ভ্যানওয়ালা অতি আশ্চর্য হয়ে বলল, ঘাটি মানে? চাচা এ বয়সেও ঘাটা ঘাটি ছিঃ....চাচা ছিঃ। চাচা বলল, আরে ঘাটি মানে- আলুর ঘাটি। আগে আলুর ঘাটি,তারপরে শুনো গান।
আদেশ
কোন ফুল ফুটে কি
তোমার হুকুম ছাড়া-
কোন ফল কি মধুর
রসে ভরে-
না পায় যদি তোমার
সাড়া?
কোন নারী কি মা হয়েছে
তোমার আদেশ বিনা-
তা ভূমিষ্ঠের সময়সীমা
হয় কি তোমার হুকুম বিনা?
ধ্বংসের জ্ঞান বংশের জ্ঞান
সবই তোমার হাতে-
কেউ জানে না কখন তাকে
ডাকবে কিয়ামতে।
মহাসত্য
কি মিথ্যার প্রতিকার
খুঁজিলে না জনম ভর-
আগে পিছে নাই যার
মিথ্যার কারবার।
কোন্ সে মহাসত্যে বল
মিথ্যার নাই অধিকার?
কি সে মানব পথ নির্দেশ
সব ব্যধিরই প্রতিকার?
শুনতে কি পায় বধিরজনে
থাকিতে তার কান-
দেখতে কি পায় অন্ধজনে
যে পড়ে নাই কোরআন?
স্বয়ং পরম
ঈমান ধনকে
বুকে ধরো-
প্রতিটি কর্ম
উৎকৃষ্ট করো।
জুলুমে কলুষ
করো না তাকে
নিজেই নিজের
সূর্য উদয়-
যেথায় স্বয়ং পরম
হয় সদয়।
জান্নাত
তোমরা জানো কি
সেই নাম-
অবিচারের বিচারই
হয় জাহান্মাম।
তোমরা জানো কি
সেই শুভপ্রভাত-
বিচারের বিচারকে
কয় জান্নাত।
তোমরা জানো কি
তোমরা চাও কি?
নিজ হৃদয় ফুলের
সুগন্ধ কি?
তোমরা জানো কি
তোমরা চাও কি-
নিজ হৃদয় ফুলের
অনিষ্ঠ কি?
তোমরা জানো কি
জাহান্মাম কি-
আর জান্নাত কি?
ওহী
নবী বা রাসূল সে হয়
ধনভান্ডার যার হাতে নাই।
অদৃশ্যের দেখা কি পায় ?
ফেরেস্তাও নাহি সে হয়
আল্লার ভয়ে চাহিয়া রয়-
সে তাই বলে যা ওহী হয়।
বস্তুু কিন্তুু
একটি পাতাও নড়ে না
ফুলেও ফল ধরে না-
অঙ্কুরিতও হয় না বীজ
না পাইলে তোমার
হুকুমনামা জারী-
রসযুক্তও হয় না বস্তুু
শুকায়ও না দেহ কিন্তুু-
হয় না জন্ম হয় না মৃত্যু
দিনে কি লুকায় রাত্র?
বাঁচে কি কেউ
তোমার সে নিকট
আদেশ পাসরী?
কুরআন অবিশ্বাসী
তারা নিরেট মিথ্যাবাদী
যারা কুরআন
অবিশ্বাসী-
নিশ্চয় তারা মিথ্যা
উদ্ভাবনকারী-
অদৃঢ় বিশ্ববিশ্বাসী।
অসৎপথপ্রাপ্ত
অভিশপ্ত দুঃসংবাদাতা
অহংকারী -
অআত্নসমর্পনকারী
অখন্ড ভন্ড
প্রতারক।
আল্লাহ্
ভুল নাই এক আল্লাহর
নাই বিস্মৃতি আঁধার-
তার জান্নাতে ক্ষুধার্ত নাই
নাই নগ্ন নগ্নতার।
জান্নাতে তৃষ্ণার্ত নাই
নাই রৌদ্রক্লিষ্ট অসহায়-
বল কোথায় গেলে
সেই আল্লাহর দেখা
আমি পাই?
পবিত্র ও মহান
পবিত্র ও মহান তুমি
কিছুই জানি না আমি-
যা ইচ্ছা সৃষ্টি কর তুমি
কিছুই করি না আমি-
যাকে ইচ্ছা দাও রুজি তুমি
বল কিছু কি জানি আমি?
যাকে ইচ্ছা মুক্ত কর তুমি
কেবল সৎপথ চাই আমি-
তোমার ইচ্ছায় সব কর তুমি
তোমায়-
দেখার আশায় থাকি আমি-
পবিত্র তোমার শ্রীমুখখানি
দেখাবো বলে বাঁচি আমি-
পবিত্র ও মহান তুমি।
কারো হাত নাই
কারো হাত এখানে নাই
যদি আমার আল্লাহ চাই-
আমার যদি কল্যাণও হয়
সেখানে রয় প্রেমদয়াময়।
ধরে রাখতে পারে কে হায়
হয় যদি এক আল্লাহ সহায় -
রুখবে এমন শক্তি নাই
যদি মহান আল্লাহ চাই।
সে কারণেই রাখিবে ভয়
কোন অকল্যাণ যেন না হয়।
সে ছাড়া আর কেহ নাই-
সহায় আমার দুই দুনিয়ায়।
ক্ষণিক ঐশ্বর্য ফাঁদ
চক্ষুদ্বয় প্রসারিত
কেন কর-
অন্যের ঐশ্বর্য দেখে?
লাভ কি তোমার তাতে
মৃত্যু এসে যদি জীবন ঢাকে?
সবই যে ঐ ক্ষণিক মোহ
লোভের অতি সুন্দর ফাঁদ-
হীরার গহনা রেশমী পোষাক
বৃহৎ বিশাল সোনার প্রাসাদ-
তার চেয়ে কি স্হায়ী জীবন
সুরম্য জান্নাত বেহেস্তি ভবন
অধিক ভাল নয় কিরে নয় ?
প্রেমময় কি দিতে পারেন-
না শুনে তার নিষেধ বারণ
কেন চোখদুটি তৃষ্ণার্ত হয়?
কল্যাণ অকল্যাণ
দয়াময় আল্লাহ-ই
জানেন-
কিসে কল্যান
কিসে অকল্যান
রয়েছে আমার।
আমি যা পছন্দ করি
সে তো আনতেও পারে
ঘোর অকল্যাণ আমার।
আমি যা অপছন্দ করি
সে তো আনতেও পারে
মহাকল্যাণ এই জীবনে
আবার আমার।
দয়াময়-ই জানেন
কিসে কল্যাণ
কিসে অকল্যাণ আমার।
পাহাড় ঢালে
যা করে না
তা বলে কে?
সে তো ঘোর
মিথ্যাবাদী
অলক্ষ্যণে।
তারা কান
পেতে রয় -
ঘুরে বেড়ায়
পাহাড় ঢালে
উপত্যাকায়।
ক্নান্ত বিভ্রান্ত ওরা
অবিশ্বাসী জ্যন্ত
মরা-
যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর
হাতে তারা কি খায়
না ধরা?
নিজেকে ফাঁকি
নিজে দিয়ে-
তারা সুপথ হারায়
খাই অগ্নি গিলে।
জালিমের হুংকার
মুছার লাঠি যদি
সাপ হয়
হুকুমে আল্লার-
রাখবে কোথায়
জালিম ফেরাউন
অসার অহংকার!
নিজেকে সে খোদা
বলে করেছিল দাবী-
জীবন মরণ তাহার
হাতে
দুঃখ সুখের চাবি।
নিরপরাধ মানুষ ধরে
তাজাই গলা কাটতো-
অপরাধীকে ছেড়ে দিয়ে
মুক্ত জীবন দিতো।
মুছা বলে হে ফেরাউন
তুমি খোদাই যদি হও
পশ্চিমে সূর্য তুলে
পূর্বে ডুবাও।
মিথ্যা কি আর সত্য হয়
করলে অহংকার-
জ্ঞানবর্জ্রে আল্লাহ
চূর্ণ করেন-
জালিমের হুংকার।
ভালোবাসা
কেমন করে ভালোবাসবে
মাটির মানুষকে তুমি?
প্রেমময় আল্লাহ কয়:
যেমন করে আমি
তোমাকে দয়া করিয়াছি।
যেমন করে সকল দিয়ে
অন্তলোকে রই-
সত্য দিয়ে ধুয়ে হৃদয়
পবিত্র করে লই।
যেমন করে তৃষ্ণা মিটায়
মেঘের পানি দিয়ে-
তার প্রতিদান চাই কি
আমি অর্থকড়ি নিয়ে?
যেমন করে খাদ্য যোগায়
দুগ্ধ ফুলে ফলে-
দিয়েছো কি তোমাকে তুমি
সে উদার হস্ত খুলে?
পাতলা ডাল
মেঘ তখনো কাটেনি ভোরের আকাশে। আস্ত সকাল তবু আধো আধো আঁধার ছাওয়া পথ ঘাট,দোকান পাট।আমি কেশর হাটে একটি ওরুটির দোকানে যাচ্ছি পাতলা ডাল দিয়ে রুটি খেতে।বাজার তখনও অতটা জমে ওঠেনি। ভ্যান,করিমন,লছিমন,অটো, সি,এন,জি বাস ট্রাক গাড়িগুলো চালু অবস্হায় এক জায়গায় আসলে সবাই মিলেমিশে এক বিশেষ ধরনের শব্দের মৌচা তৈরী করে।ঘুম ঘুম কেউ সেখানে আসলে এমনিতেই ছুটে যায় তার ঘুমের ভাব সেই ভোঁ ভোঁ আর খটা খট খট , খটা খট খট শব্দে।দেখলাম,রাস্তা তৈরীতে রুলার আর কঁকড়া এখানে সরব।আরো দেখলাম,আমার ভাঙ্গাচোরা,বিষয় বাসনায় পোড়া ক্ষত বিক্ষত হৃদয়ের মত পুরানো পিচঢালা রাস্তাটা ভেঙ্গে আরো নতুন ও শক্ত একটি রাস্তা মেরামতে ব্যস্ত কর্মমূখর শ্রমিকদের লৌহ কঠিন হাতের ক্ষিপ্রতা ও উজ্জ্বল মুখ আর সদা সজাগ দৃষ্টি। ভিজা ভিজা তখনও ছিলো বাতাস।তাপের আঁচ বাইরের চেয়ে জামা কাপড়ের নিচে ছিলো বেশী।তবু টেবিল ভরা ক্ষুধার্থ মানুষগুলো খাচ্ছিলো কেউ রুটি,কেউ খিচুড়ি। আমি একটি ফাঁকা চেয়ার দেখে বসলাম।বললাম,রুটি আর পাতলা ডাল দিতে দোকানের ওয়েটারকে।সে এক গ্লাস জল আর ডাল ভরা একটি বাটি আমার সামনে আনলো। ডাল তো নয় যেন রং করা জল।আমি বললাম, গরম রুটি দাও।ঠিক এমনি সময় আমার সামনের চেয়ারে ভার বয়সী এক পাতলা লোক এসে বসলো।দেখলাম,সে গ্লাসের সাদা জল একটু একটু করে খাচ্ছে আর আমার দিকে সহজ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।এমন সময় সদ্য ভাজা খোলা থেকে তোলা গরম রুটি আমার প্লেটে দিবে বলে যেই ওয়েটার কাছে আসলো,লোকটি কাঁপা কাঁপা জলে ধোয়া হাতটি বাড়ালো। Lord! আমার চোখে জল আসলো।দুদিনের ক্ষুধার জ্বালা কি সহজে আমি ভুলে গেলাম।মনে হলো আমার চেয়েও সে আরো বেশী ক্ষুধার্থ।আমার চোখ আমি গোপনে মুছে আর্দগলা শক্ত করে ওয়েটারকে বললাম,রুটিটি ঐ ভায়ের খালি প্লেটে দাও।লোকটি আসলে বোবা।গায়ে হাফ ময়লা শার্ট। গাল দুটি বসা।ঐ গাল আগে হয়তো একদিন ভরাট ছিলো।কিন্তু আজ ত�
মোহ মায়া
কেউ কি আছে
দিনকে আনে-
যদি প্রেমময়
না আসিতে দেয় ?
কেউ কি আছে
রাতকে ঠেকায়-
যদি দয়াময়
দয়া তুলিয়া নেয় ?
এই দিন রাত তাঁর
নয় কি দয়া-
রাতে ঘুম দিনে
আলো ছায়া ?
এই দয়া
প্রেমময়ের দয়া-
তবু মন কেন চাই
মোহ মায়া ?
A golden village dream
Once I went to meet a man .It is a pretty village. but it is so tiny little. Trees are full with the green leaves. The roads are a bit sandy...